ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালসহ দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের শঙ্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সোবার্স মারা গেছেন বরিশালে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে: চরমোনাই পীর প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দারকে ফুলেল শুভেচ্ছা দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ চালার টিন খুলে ব্যবসায়ীর ঘরে চুরি, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট শিক্ষক আবু তৈয়ব কর্মস্থলে প্রায় দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও পেলেন পদোন্নতি  ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে: মির্জা ফখরুল
  • ভোলায় নদীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন জলদস্যু আটক

    ভোলায় নদীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন জলদস্যু আটক
    আটককৃত তিন জলদস্যু
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইটি দেশীয় পাইপগান ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলিসহ মিরাজ বাহিনীর প্রধান মিরাজ ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

    আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মামুন অর রশিদ। 

    আটককৃতরা হলেন উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরমনসা গ্রামের মোজাম্মেল খালাসীর ছেলে মিরাজ খালাসী (৪০), একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শফিক বেপারীর ছেলে রুবেল বেপারী (২৮) ও উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের নাছির মাঝি এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে আব্বাস উদ্দিন (২৮)।

    সংবাদ সম্মেলনে মো. মামুন অর রশিদ জানান, পুলিশ সুপার মো. মাহিদুজ্জামানের নির্দেশনায় ভোলায় জলদস্যুতাসহ বিভিন্ন অপরাধ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে জেলা পুলিশ।


    এরই ধারাবাহিকতায় সোর্সের মাধ্যমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালায়। এ সময় ইউনিয়নের কন্দকপুর এলাকার মেঘনা নদীর তীর থেকে মিরাজ বাহিনীর প্রধানসহ তিন জলদস্যুকে আটক করা হয়। পরে এদের শরীর তল্লাশি করে দুইটি দেশীয় পাইপগান ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।


    তিনি আরো জানান, আটককৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা একটি ট্রলারে করে নদীতে ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।


    এরা বিভিন্ন সময়ে নদীতে জলদস্যুতার পাশাপাশি চরদখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এ অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করতেন। তাদের মধ্যে রুবেলের নামে ২০১৬ সালে একটি চুরির মামলা রয়েছে। বাকিদের নামে কোনো মামলা আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তিনি জানান, আটককৃতদের মধ্যে প্রধান হলেন মিরাজ খালাসী।


    তারা কিছুদিন পর পর স্থান ও বসতি পরিবর্তন করায় অনেক সময় তাদের প্রকৃত ঠিকানাও জানা যায় না। তারা একেক এলাকায় গিয়ে নিজেদের নাম পরিবর্তন করে থাকেন। আটক তিনজনকে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ