মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে কাউন্সিলর প্রার্থীর প্রস্তাবকারীর মৃত্যু

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলের কয়েকঘণ্টা পরেই মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁর প্রস্তাবকারী শিক্ষক এম এ জলিল। মঙ্গলবার বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী এবং দুই পুত্র সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষিরোধ মুখার্জি লেনের বাসিন্দ এম এ জলিল চৈতন্য স্কুলের সাবেক শিক্ষক ছিলেন বলে জানিয়েছেন ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জাবের আবদুল্লাহ সাদী।
এদিকে, ‘বুধবার সকাল ৯টায় নগরীর বটতলা এলাকায় মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রানীরহাট এলাকার নিজ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। রানীরহাট স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা নামাজ শেষে পরিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে তাকে।
১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী জাবের আবদুল্লাহ সাদী বলেন, ‘ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পেছনে এম এ জলিল স্যারের উৎসহ ছিলো। নির্বাচন অফিসে জমা দেয়া আমার মনোনয়নপত্রে তিনি আমার প্রস্তাবকারী ছিলেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় তাকে সাথে নিয়ে আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।
জাবের আবদুল্লাহ সাদী বলেন, ‘বেলা ১২টার দিকে বাসায় ফিরে যান প্রবীণ শিক্ষক এম এ জলিল। তখনও তিনি সুস্থ ছিলেন। হঠাৎ করেই বিকেল চারটার দিকে বুখে ব্যথা অনুভব করলে তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
জানা গেছে, ‘নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন ফরম জমা দেয়া জাবের আবদুল্লাহ সাদী বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তবে বর্তমানে তার দলীয় কোন পদ না থাকায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন তিনি।
কে.আর