যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রসুলপুর চরবাসীর দুর্ভোগের শেষ কোথায়?

৮ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়ন সফলতা বাধাগ্রস্থ করছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা
বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকার মধ্যে ঘনবসতি এবং বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত ৮ এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এর মধ্যে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কিছুটা উন্নয়ন হয়েছে দাবি স্থানীয়দের। তবে সেসকল উন্নয়ন সফলতাকে বিফলের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা। পর্যাপ্ত ড্রেন না থাকা এবং অপরিচ্ছন্নতা জলাবদ্ধতার কারণ হয়ে আছে।
অপরদিকে, বাণিজ্যিক এলাকা হলেও ভাগ্যের তালা খুলছে না ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কীর্তনখোলা নদীর রসুলপুর কলোনীবাসীর। শহরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এই চরবাসীকে এখনো নৌকায় পারাপার হতে হয়। সম্প্রতি ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতী হলেও সড়ক এবং বিশুদ্ধ পানির সংকট কাটছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৮ এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মো. সেলিম হাওলাদার ও হারুন অর রশিদ। এদের মধ্যে সেলিম হাওলাদার টানা পাঁচ বারের এবং হারুন অর রশিদ দুই বারের কাউন্সিলর। এরা দুজনেই মহানগর বিএনপি নেতা। দলীয় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্যেও পুনরায় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এই দুজন।
জানা গেছে, ‘নগরীর বাজার রোড, উত্তর কাটপট্টি, বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগার, পশ্চিম দপ্তরখানা, পুরান কয়লাঘাটের পশ্চিম পাশ, লাইন রোড, স্ব-রোড এবং হাটখোলা এলাকা নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর ওয়ার্ডটি। ০ দশমিক ৫৬ বর্গ কিলোমিটারের এই ওয়ার্ডে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৩৩৬ জন।
অপরদিকে, দক্ষিণ কাটপট্টি, পূর্ব সদর রোড, গির্জা মহল্লা, হেমায়েত উদ্দিন সড়ক, উত্তর ও দক্ষিণ চক বাজার, পোর্ট রোড, বান্দ রোড, পদ্মাবতী, রসুলপুর, এনায়েতুর রহমান সড়ক ও ফরিয়াপট্টি নিয়ে গঠিত ৯ নম্বর ওয়ার্ড। ০ দশমিক ৮৭ বর্গ কিলোমিটারে এই ওয়ার্ডটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ হাজার ১৪০ জন।
আরজেএন