বৈশাখে শ্রাবণের ধারা, জনমনে স্বস্তি

টানা বেশ কয়েকদিন তীব্র দাবদাহের পর কালো মেঘে হঠাৎ ঘন অন্ধকারে নেমে আসে বরিশাল শহরে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে চারদিক অন্ধকার হয়ে যায়। এরপরই শুরু হয় ঝোড়ো বাতাস ও ধুলিঝড়। এক পর্যায়ে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পর নামে মুষল ধারায়। এর প্রভাবে কিছুটা কমেছে গরমের তীব্রতা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হঠাৎ আকাশে ঘন মেঘ ছেয়ে যাওয়ায় চারদিকে মুহূর্তেই রাতের অন্ধকার নেমে আসে। এসময় গাড়িগুলোতেও চলতে দেখা যায় হেডলাইট জ্বালিয়ে। নগরীর অনেক দোকানপাটের বাইরেও জ্বালানো হয় আলো। তবে ছন্দপতন ঘটেছে বৃষ্টিতে।
এদিকে এমন বৃষ্টি অনেকে উপভোগ করলেও বিপাকে পড়েন ঘরমুখো অনেক মানুষজন। বৃষ্টির ভয়ে অনেকেই দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। তবে বৃষ্টি শুরুর পর রিকশা না পেয়ে ভিজেও ঘরে ফিরতে দেখা গেছে অনেককে। ঘরমুখো যাত্রী সাবরিনা মমতাজ বলেন, এ যেন বৈশাখে শ্রাবণের ধারা বইয়ে গেলো।
অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকেও দূরপাল্লার পরিবহন নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়তে পারেনি। মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টরাও।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে হঠাৎ আকাশ মেঘে ঢেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এটি কালবৈশাখী ঝড় বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, গতকাল ৩৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে। আর সর্বনিম্ন ১৮.৮ তেঁতুলিয়ায়।
টিইউ