ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালসহ দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের শঙ্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সোবার্স মারা গেছেন বরিশালে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে: চরমোনাই পীর প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দারকে ফুলেল শুভেচ্ছা দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ চালার টিন খুলে ব্যবসায়ীর ঘরে চুরি, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট শিক্ষক আবু তৈয়ব কর্মস্থলে প্রায় দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও পেলেন পদোন্নতি  ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে: মির্জা ফখরুল
  • ‘আরেকটি প্রাণঘাতী মহামারি আসতে পারে আগামী দশকে’

    ‘আরেকটি প্রাণঘাতী মহামারি আসতে পারে আগামী দশকে’
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    করোনার মতো মহামারি আগামী এক দশকের মধ্যে আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করেছে লন্ডনভিত্তিক স্বাস্থ্য বিশ্লেষণ সংস্থা- এয়ারফিনিটি লিমিটেড। সংস্থাটি বলছে, ঘন ঘন নতুন নতুন ভাইরাস আবির্ভূত হওয়ায় এ আশঙ্কা করা হচ্ছে।    

    এয়ারফিনিটি লিমিটেড বলছে, জলবায়ু পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ বেড়ে যাওয়া, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং জুনোটিক রোগ (এমন ধরনের সংক্রামক রোগ যা মূলত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়) মহামারির ঝুঁকিতে অবদান রাখে। তবে নতুন ভাইরাসের প্রকোপ শুরুর ১০০ দিনের মধ্যে যদি কার্যকর ভ্যাকসিন পাওয়া গেলে মহামারির শঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে।  

    এয়ারফিনিটি বলেছে, বার্ড ফ্লু ধরনের ভাইরাস হলে ভিন্ন পরিস্থিতি দেখা দেবে। মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হওয়ায় ক্ষমতা অর্জন করে যুক্তরাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করতে পারে এ ভাইরাস। 

    বিশ্ব এখন করোনাকে সঙ্গে নিয়েই বাস করছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরবর্তী সম্ভাব্য বৈশ্বিক হুমকির মোকাবিলায় মনোযোগ দিচ্ছেন। গত দুই দশকে বিশ্বে তিনটি বড় করোনাভাইরাস দেখা গেছে, এগুলো হলো-সার্স, মার্স এবং কোভিড-১৯। ২০০৯ সালে দেখা দিয়েছিল সোয়াইন ফ্লু মহামারি।

    এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু স্ট্রেনের দ্রুত বিস্তার ইতোমধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। যদিও এখন পর্যন্ত অল্প সংখ্যক মানুষ এতে সংক্রমিত হয়েছে। ভাইরাসটির মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ হওয়ার এখনও কোনও লক্ষণ নেই। তবে পাখিদের মধ্যে সংক্রমণের হার অনেক বেশি।

    মার্স এবং জিকা-এর মতো অনেক উচ্চ-ঝুঁকির ভাইরাসের ক্ষেত্রে অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই। এয়ারফিনিটি বলেছে, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের যেকোনও মহামারি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। তবেই অল্প সময়ে তা শনাক্ত করে প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

    সূত্র: এনডিটিভি


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ