ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ববির ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী থাকেন হলের বাহিরে  মঠবাড়িয়ায়-মিরুখালী সড়কে ভয়াবহ ভাঙন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ঝালকাঠিতে ভবন থেকে হাত-পা বাঁধা ও মাথায় বস্তা প্যাচানো নারীর মরদেহ উদ্ধার বরিশালে ১ হাজার ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার কলাপাড়ায় অবৈধ ট্রলিং ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন আওয়ামী লীগ ও জামায়াত নিয়ে সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন! বরিশালসহ দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের শঙ্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সোবার্স মারা গেছেন বরিশালে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে: চরমোনাই পীর
  • স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় যুবক কারাগারে

    স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় যুবক কারাগারে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় আবির মাহমুদ (২৮) নামে এক যুবককে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-৯ জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামি আবির বরিশাল গৌরনদী উপজেলার হোসনাবাদ এলাকার আমিনুল ইসলাম বাবুলের ছেলে। নোয়াখালীর সোনাপুরে ক্লাসিক প্রভিটা এগ্রো লিমিটেডে কর্মরত ছিলেন।

    মামলার এজাহারসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আবিরের সঙ্গে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে খুলনা জেলার বাসিন্দা ওই নারীর বিয়ে হয়। বিয়ের বছরের পর পরই নানাভাবে যৌতুকের জন্য আবির তার স্ত্রীকে চাপ দিতে থাকে। কয়েক দফায় ৫ লাখ টাকা দেওয়ার পরও তার চাহিদা আরো বেড়ে যায়। এজন্য বেপোরোয়া হয়ে তার স্ত্রীকে প্রায়ই মারধর করতে থাকে। একই সঙ্গে অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ে। এমনকি স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করে। কয়েক দফায় পারিবারিকভাবে বসেও বিষয়গুলো মীমাংসা করা যায়নি। অবশেষে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই স্ত্রীর বড় ভাই মাসুদ আলম রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম  থানায় আবিরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দম আইনে মামলা করেন।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের এসআই আফসানা আফরোজ জানান, অভিযক্তের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ ছিল। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভুক্তভোগীর ভাই এ মামলা দায়ের করেছিলেন।

    মামলার বাদী মাসুদ আলম বলেন, ছোটবোনের সংসার বাচাতে যৌতুক হিসেবে ৫ লাখ টাকাও দিই। কিন্তু এতেও তার চাহিদা মেটেনি। মোট ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। বাকি ১৫ লাখ টাকার জন্য বোনকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলাতেই থাকে। তারই এক পর্যায়ে বোনের হাত ভেঙে দেয় আসামি। আমাদের প্রাণনাশেরও অনেক হুমকি দিয়েছে। অবশেষে আইনে আশ্রয় নিতে বাধ্য হই। কিন্তু আইনের চোখকে ফাকি দিয়ে, ভুল বুঝিয়ে উচ্চ আদালত থেকে দুইবার আগাম জামিন নিয়েছেন।  অবশেষে আসামির জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আমরা চাই তার আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। যাতে আইনের ফাঁক-ফোঁকর দিয়ে সে বেরিয়ে যেতে না পারে এটাই অনুরেঅধ সংশ্লিষ্টদের প্রতি।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ