ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পুলিশের হেফাজত থেকে কয়েকঘন্টা পর মুক্তি পেলেন জাপা নেতা হাবুলসহ ৬ জন ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বিএনপি নেতা জিয়া সিকদার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ'লীগ নেতা হিরশিৎ ও সঞ্জিত মন্ডল বিরুদ্ধে সাতলায় মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ   ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩৪৯০ যাত্রী মমতা ব্যানার্জীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ মার্কিন অস্ত্রেও সুরক্ষা নেই, সৌদি আরবকে নাস্তানাবুদ করছে হুথিরা কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের প্রভাবে ঢাক-ঢোল কারিগরদের ব্যবসায় ভাটা
  • বরগুনায় স্ত্রী হত্যা

    হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমে স্বামীর যাবজ্জীবন

    হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমে স্বামীর যাবজ্জীবন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে মৃত্যুদণ্ড হয় স্বামী আবদুল জলিলের। তবে সাজা পরিবর্তন করে জলিলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স এবং আসামির আপিল খারিজ করে রোববার (২৯ জানুয়ারি) এই রায় দেন হাইকোর্টের বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ।

    আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম মাসুদ রানা, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নাফিউল মাজিদ ও উম্মে ছালমা।

    আইনজীবী এম মাসুদ রানা বলেন, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছিল ত্রুটিপূর্ণ। এছাড়া সাক্ষীদের বক্তব্য পরস্পর বিরোধী ছিল। শুনানিতে এসব বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। রায়ে উচ্চ আদালত দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের দণ্ড দিয়েছেন।

    দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আবদুল জলিল জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচটকি গ্রামের নয়া মিয়ার ছেলে।

    ১৯৯৮ সালে ফরিদপুরের মালতি বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয় আবদুল জলিলের। পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০০৩ সালের ২৮ আগস্ট মালতিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর তার মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির পেছনে পোড়াবাড়ির বাগানে পুঁতে রাখা হয়। পরদিন মালতির মরদেহ শেয়াল-কুকুরকে খেতে দেখে প্রতিবেশীরা কাকচিড়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। এরপর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

    এ ঘটনায় কাকচিড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. একরামুল বাদী হয়ে নিহত মালতির স্বামী, দুই দেবর, ননদ ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৪ সালের ৮ এপ্রিল সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার শেষে ২০১৭ সালের ৯ মে ছয়জনকে খালাস দিয়ে জলিলকে মৃত্যুদণ্ড দেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু তাহের।

    এরপর মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল করেন।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ