ঢাকা সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • মেহেন্দিগঞ্জে খাজনার টাকা না দেয়ায় গাছসহ গাড়ি আটক সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা চার দফা দাবিতে মহাসড়কে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাড়ছে হামের প্রকোপ: বরিশালে এ পর্যন্ত মারা গেছে ১৯ জন ৯ দফা দাবিতে বরিশালে ইজিবাইক-রিকশা শ্রমিকদের সমাবেশ এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু বরিশালে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা বরিশালে জমি দখলের উদ্দেশ্য বিএনপি নেতা ও স্কুল শিক্ষকের নেতৃত্বে হামলা   গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দিতে নীতিমালা করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
  • আমতলীতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

    আমতলীতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনার আমতলীতে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম পড়েছে। শীত উৎসবের আমেজ বোঝা যায় রাস্তাার মোড়ে মোড়ে বসা পিঠা বিক্রির বাহারি পসরা দোকান দেখেই। অলিতে গলিতে বসেছে পিঠা বিক্রির অস্থায়ী  দোকান। চিতই (চডা) ও ভাঁপা পিঠার সাথে হরেক রকমের ভর্তার সমারোহ এসকল দোকানগুলোতে। 

    সরেজমিন দেখা যায়, সময়ের বিবর্তনে আমতলী থেকে খেজুরের রস হারিয়ে যেতে বসলেও হারিয়ে যায়নি হরেক রকম শীতের পিঠা। শীতের শুরু থেকেই পিঠা তৈরির ধুম পড়ে গেছে প্রতিটি ঘরে ঘরে। ঘর ছাড়িয়ে বাজারের রাস্তার পাশে মোড়ে মোড়ে, গড়ে উঠেছে হরেক রকম পিঠা তৈরির অস্থায়ী দোকান। উপজেলা জুড়ে পিঠা তৈরির  শতাধিক দোকানে প্রতিদিন বিকেল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত চলে শীতের পিঠা বিক্রির হিড়িক। দোকানগুলোতে ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি দেখেই বোঝা যায় শীতের পিঠার কদর। দোকানি চুলা থেকে একেকটি পিঠা নামানোর সাথে সাথেই ছো মেরে হাতে তুলে নেয়ার নিশ্চুপ প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায় ক্রেতাদের মধ্যে। 

    গুড়, নারকেল ও চালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি ভাঁপা পিঠা, পুলি পিঠাসহ বাহারি সব পিঠা তৈরি হয় এসব দোকানে। চিতই পিঠার সাথে চিংড়ি, শুঁটকি, ধনেপাতা লাউ পাতাসহ নানান রকমের সুস্বাদু ভর্তা জিহ্বায়  জল আনছে ভোক্তাদের। 

    প্রতিটি পিঠা ৫-১০ টাকা মূল্যে বিক্রি করেই লাভবান পিঠা বিক্রেতারা। অধিকাংশ পিঠা বিক্রেতারাই সারাদিন অন্য কাজ শেষে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত  পিঠা বিক্রি করে বাড়তি আয় করে সংসারের চাহিদা পূরণ করছে। প্রতিদিনই বাড়ছে বিক্রেতার সংখ্যা। বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি করেছে এই পিঠা বিক্রি। পিঠা সহজেই হাতের কাছে পাওয়ায় সন্তুষ্ট ক্রেতারা আর বিক্রেতারা খুশি ভালো দাম পাওয়ায়।

    আমড়াগছিয়ার ক্রেতা  মো. সবজি আহমেদ  বলেন, বাড়িতে সব সময় পিঠা তৈরি করা সম্ভব হয় না। দোকানগুলোতে খুব সুন্দর ও সুস্বাদু পিঠা তৈরি করে। তাই প্রায়ই দোকান থেকে পিঠা খাই।বেতমোর গ্রামের  আরেক ক্রেতা  সদরুল সজীব  বলেন একস্কুল রোডের মিরাজ  মিয়ার পিঠা খুব সুস্বাধু পিঠা তৈরি করে আমি প্রতিদিন তাঁর দোকানে পিঠা খেতে আসি।  পিঠা বিক্রেতারা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাড়ীর গৃহস্থলি কাজ করে। বিকেল থেকে রাত ১০/১১ টা পর্যন্ত  পিঠা বিক্রি করি। পিঠা বিক্রি করে দৈনিক ৫শ থেকে ৬শ টাকা লাভ হয়। এই বাড়তি আয়ে আমার সংসার অনেক ভালো চলে। 

    আমতলী সরকারী কলেজের (অব:)) সহকারী প্রভাষক মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন  বিভিন্ন বাজার ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে অস্থায়ী দোকান বসিয়ে শীতের পিঠা বিক্রি হচ্ছে এতে বাঙালির ঐতিহ্য প্রকাশ পাচ্ছে । তিনি পিঠাগুলোকে ধুলা ও ময়লা মুক্ত রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন। 


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ