ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালসহ দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের শঙ্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সোবার্স মারা গেছেন বরিশালে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে: চরমোনাই পীর প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দারকে ফুলেল শুভেচ্ছা দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ চালার টিন খুলে ব্যবসায়ীর ঘরে চুরি, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট শিক্ষক আবু তৈয়ব কর্মস্থলে প্রায় দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও পেলেন পদোন্নতি  ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে: মির্জা ফখরুল
  • পাঙাশের কেজি ৭৫০ টাকা!

    পাঙাশের কেজি ৭৫০ টাকা!
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদী ও সাগরে বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ। ইলিশের পাশাপাশি পাঙাশের আমদানিও বেড়েছে। ফলে খুশি উপকূলীয় জেলেরা।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বরগুনা পৌর মাছ বাজারে ইলিশের পাশাপাশি নদীর বড় বড় পাঙাশ মাছ দেখা যাচ্ছে। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৭৫০ টাকা দরে। এবার উপকূলের মৎস্যঘাটগুলোতে ইলিশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কেনা-বেচার ধুম পড়েছে পাঙাশেরও।

    পাঙাশ মাছের দাম এতো কেন, জানতে চাইলে খুচরা মাছ ব্যবসায়ী কামাল বলেন, ভালো জিনিস খেতে হলে দাম তো একটু বেশি দিতেই হবে। এটা চাষের পাঙাশ না। স্থানীয় নদীগুলোর পাঙাশ। এর স্বাদ যে কোনো মাছের চেয়ে ভালো। এ মাছে তেল অনেক। কোনো গন্ধও নাই। কম দামের পাঙাশে এক ধরনের গন্ধ থাকে। সামুদ্রিক মাছের প্রজনন মৌসুমে নদী ও সাগর মোহনায় মাছ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে ও নদীতে বড় বড় পাঙাশ মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে।

    এনায়েত নামে এক ক্রেতা বলেন, আকারে বড় হওয়ায় ব্যবসায়ী বেশি দামে বিক্রি করছেন। এ মাছের কেজি ৭৫০ টাকা। নদীর ভালো পাঙাশ খেতে অনেক মজা।

    রশিদ নামে আরেক ক্রেতা বলেন, এ বাজারে আট থেকে ১৪ কেজি পর্যন্ত ওজনের পাঙাশ যেন সোনার দামে বিক্রি হচ্ছে। যদি ৭৫০ টাকা দিয়ে পাঙাশ কিনতে হয়, তাহলে ইলিশ কতো টাকা দিয়ে কিনবো? যাদের টাকা আছে, তারা মন চাইলে এ দামে কিনে নিয়ে যাবে। আমার মতো ক্রেতা এটা কিনবে না, এটা নিশ্চিত।

    মাছ বিক্রেতা বাঁধন বলেন, আমি দাম চাচ্ছি ৭৫০ টাকা। দেখি ক্রেতারা কত দাম কয়। কত দামে বিক্রি করবো এখনও ঠিক করিনি। রাত পর্যন্ত কী হয় দেখি। নদীর পাঙাশ বলে বেশি দামে কিনতে হয় আমাদের। বিভিন্ন খাবার হোটেলে এ মাছের চাহিদা রয়েছে।

    ৬ অক্টোবর রাত ১২টার পর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ ছিল।


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ