মঠবাড়িয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য কারাগারে

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে টেঁটার কোপে ও রডের আঘাতে ২ নারীসহ ৩ জন গুরুতর আহতের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম মুন্সীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গ্রেপ্তারকৃত সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম মুন্সীকে সোমবার দুপুরের মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে বিজ্ঞ বিচারকি হাকিম মো. কামরুল আজাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের আইনজীবী এডভোকেট রফিকুল ইসলাম বাবুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম উপজেলার পশ্চিম পাতাকাটা গ্রামের আঃ মতলেব মুন্সীর ছেলে।
থানা ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম পাতাকাটা গ্রামের মৃত. চাঁনমিয়া হাওলাদারের ছেলে মুছা হাওলাদার গংদের সাথে সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম মুন্সীর সাথে দির্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। গত ১০ অক্টোবর শনিবার সকালে মুছা হাওলাদারের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বাগানে সুপারী গাছের খোল কুড়াতে গেলে মতলেব মুন্সীর ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম মুন্সী তাকে লাঞ্চিত করে। এসময় তার গালে স্ব-জোরে কামড় দিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করার ঘটনা ঘটে।
ওই নারীর চিৎকারে মুছা হাওলাদারের স্ত্রী ও ছোট ভাই ঈসা হাওলাদার এগিয়ে গেলে রফিকুল ইসলাম মুন্সী ও তার সহযোগিরা হামলা চালায়। টেঁটা দিয়ে কুপিয়ে এবং রড় দিয়ে পিটিয়ে ঈসা হাওলাদারের ডান হাটুর নিচে হাড় ফাটিয়ে ফেলে। মুছা হাওলাদারের স্ত্রীকে টেঁটা দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সংবাদ পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন। এসময় সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম মুন্সীকে আটক করেন পুলিশ। এঘটনায় মুছা হাওলাদার বাদি হয়ে সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম মুন্সীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে রোবরাব (১১ সেপ্টেম্বর) মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, মামলার বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এএজে