ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালসহ দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের শঙ্কা ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সোবার্স মারা গেছেন বরিশালে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রা মাদকের সরবরাহ লাইন নির্মূল করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে: চরমোনাই পীর প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দারকে ফুলেল শুভেচ্ছা দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ চালার টিন খুলে ব্যবসায়ীর ঘরে চুরি, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট শিক্ষক আবু তৈয়ব কর্মস্থলে প্রায় দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও পেলেন পদোন্নতি  ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে: মির্জা ফখরুল
  • যক্ষ্মায় বছরে ৪০ হাজার মানুষ মারা যায় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    যক্ষ্মায় বছরে ৪০ হাজার মানুষ মারা যায় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিশ্বে যক্ষ্মা আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। পৃথিবীতে যক্ষ্মা ১৩তম মৃত্যুর কারণ। সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে দ্বিতীয় মৃত্যুর কারণ যক্ষ্মা। বিশ্বে এক কোটি মানুষ যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত। যক্ষ্মায় বছরে ১৫ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করছেন। বাংলাদেশেও যক্ষ্মায় প্রতি বছর ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতি বছর নতুন করে তিন লাখ লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ‘লাউনচিং ওয়ার্কশপ অন দা কমিউনিটি রাইট অ্যান্ড জেন্ডার একশান প্লান ২০২১-২৩ ফর টিবি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    জাহিদ মালেক বলেন, যক্ষ্মা বিষয়ে ভালো দিক হচ্ছে, আমরা এখন জানি বছরে কত লোক আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে খুঁজে বের করতে পারছি। কারণ আমরা যদি যক্ষা রোগী শনাক্ত করতে পারি তাহলে চিকিৎসা দিতে পারব। চিকিৎসার কারণে প্রায় ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশ লোক সুস্থ হয়ে যাচ্ছে।  

    যক্ষ্মায় মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ কর তিনি বলেন, যক্ষায় দেশে ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ১০০ এর বেশি লোক মারা যায় অথচ আমরা এ বিষয়ে খোঁজও রাখি না। যক্ষ্মার ভালো বিষয় হচ্ছে দিনে দিনে রোগী কমে যাচ্ছে। বৈশ্বিকভাবে দুই শতাংশ করে রোগী কমছে। যদিও আমাদের লাখ চার থেকে পাচ শতাংশ রোগী কমানো।

    তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় যতগুলো দেশ আছে, সেগুলোতে সারাবিশ্বের ৮৬ শতাংশ যক্ষ্মা রোগী রয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ ৭ নম্বরে আছে। সুতরাং যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে আমদের অনেক কাজ করতে হবে।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ডা. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সেনাল, স্টপ টিবি পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক লুসিকা ডিটিউ, দা গ্লোবাল ফান্ডের সিনিয়র ফান্ড পোর্টফলিও ম্যানেজার জিওনজিওভার জাকাব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার খুরশিদ আলম।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ