ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • আওয়ামী সরকারের আমলে যেসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন ব্যবস্থা কলুষিত করে ভোলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক প্রেমিকের সঙ্গে অভিমান করে নদীতে ঝাঁপ বিএম কলেজ শিক্ষার্থীর জাপা নেতাদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি, জুলাই ঐক্যের কর্মসূচি ঘোষণা ইরানে নিস্তেজ হয়ে পড়ছে বিক্ষোভ, সরকারের পক্ষে বিশাল সমাবেশ গৌরনদীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার আগৈলঝাড়ায় সরকারী অফিসের প্রবেশ পথে চেয়ার-টেবিল ও রশি টানিয়ে অফিস করছেন কর্মকর্তা  মঠবাড়িয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে ৭৫ ফুট দীর্ঘ ব্রিজ নির্মাণ দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত অন্তত ১৯২
  • শিবগঞ্জের পদ্মা নদীতে ভাঙন রোধে ফেলা হচ্ছে জিওব্যাগ

    শিবগঞ্জের পদ্মা নদীতে ভাঙন রোধে ফেলা হচ্ছে জিওব্যাগ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় পদ্মা নদীতে ভাঙন রোধে ফেলা হচ্ছে জিওব্যাগ। পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠিকাদারদের মাধ্যমে উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের কুপ পাড়ায় এসব জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, জিও ব্যাগ ফেলে কোনো অবস্থাতেই পদ্মার ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের। 

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পদ্মার তীব্র শ্রোতের কারণে মনোহরপুর এলাকার কুপ পাড়া মহল্লাটির অর্ধেক নদীতে বিলিন হয়েছে। ভাঙনের তীব্রতা এতোটাই বেশি যে নদীতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ। নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা বর্তমানে তাদের বাড়িঘর নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। মজবুত বাঁধ নির্মাণ করা না হলে ওই গ্রামের নামো জগন্নাথপুরের পন্ডিত পাড়া , আয়ুব বিশ্বাসের পাড়া, বাদশা পাড়া, দোভাগী এলাকার ফসলি জমি, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা হুমকির মুখে পড়বে।

    কাজল নামের এক পদ্মা পাড়ের বাসিন্দা বলেন, ‘জিওব্যাগ দিয়ে নদী ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু ভরা নদীতে এসব ব্যাগ দিয়ে ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। নদীর পাড়ের নিচের অংশে জিওব্যাগ দিয়েও থাকছেনা। নদীর তীব্র স্রোতে মাটি ভর্তি জিওব্যাগগুলো ভেসে যাচ্ছে।'

    হাসান নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘ নদী ভাঙন এ এলাকায় প্রতি বছরই হয়। মানুষরা অসহায় হয়ে পড়ে। নদীতে যখন পানি থাকে না, তখন ভাঙন রোধে প্রস্তুতি নিয়ে কিছুটা হলেও ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ভরা নদীতে বস্তা ফেলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করার কোনো মানেই হয় না। নদীর যে স্রোত তাতে এসব বস্তা থাকবে না। প্রয়োজন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের।’

    মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনারুল ইসলাম বলেন, ‘এখন ভাঙন রোধ করার জন্য বস্তা ফেলছে ঠিকাদারা। শুষ্ক মৌসুমে নদী ভাঙন রোধে বাঁধ দিলে, নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের অনেক উপকার হতো।'

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘মনোহরপুরে নদী ভাঙন রোধ করতে প্রায় ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।'
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ