ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বরিশালের ৫ জেলাসহ ৪৩ জেলা, ডুবেছে ১ লাখ ১৪ হাজার হেক্টরের ফসল বরিশালে মাদক মামলায় রোহিঙ্গা তরুণীর ৩ বছরের কারাদণ্ড শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মেহেন্দীগঞ্জে প্রবেশপত্রের সঙ্গে অসংগতি থাকায় এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি রিপা মুলাদীতে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল ২০০ পরিবারের  ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ইটের টুকরা নিক্ষেপ, তদন্ত করছে পুলিশ বরগুনার ইতিহাসে প্রথম ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল জমজ ৩ বোন শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পাথরঘাটায় বাজারে আগুন, ৩০ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত   সুন্দরবনে ‘ছোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ ডাকাতের আত্মসমর্পণ
  • কুড়িগ্রামে পানিবন্দি ৪০ হাজার মানুষ

    কুড়িগ্রামে পানিবন্দি ৪০ হাজার মানুষ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    উজানের বৃষ্টি ও ঢলে আবারও কুড়িগ্রামে নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। শনিবার সকালে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানান, ধরলা নদীর পানি শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও রাত থেকে তা নিচ দিয়ে বইছে। ব্রহ্মপুত্রসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানিও কমতে শুরু করেছে।

    ফলে জেলার নতুন করে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু এ অবস্থায় ২য় দফা বন্যায় জেলা সদর, নাগেশ্বরী, ফুলবাড়ী ও উলিপুর উপজেলার চর ও দ্বীপচরের নিম্নাঞ্চলসমূহ প্লাবিত থাকায় পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ এখনো কমেনি। নতুন করে পানিবন্দি ৪০ হাজার মানুষ এখনো দুর্ভোগে রয়েছেন।

    বন্যা দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও গবাদি পশুর খাদ্য সংকট। অনেক এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ঘরবাড়িতে পানি রয়েছে। ফলে সেখানকার মানুষের কষ্ট রয়েছে। বন্যার্তদের ত্রাণ সহায়তা দেয়া হলেও এখনও কিছু কিছু এলাকায় ত্রাণ পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

    ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়রম্যান আতাউর রহমান মিন্টু জানান, এই ইউনিয়নের মেকলি, পূর্ব ও পশ্চিম ধনিরাম, বড়ভিটা ও বড়লই গ্রামের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছে প্রায় তিন হাজার পরিবারের ১৫ হাজার মানুষ।

    সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন জানান, কদমতলা, শিতাইঝাড়, নওয়াবশ, গোবিন্দপুরসহ ৯টি ওয়ার্ডের প্রায় সব গ্রামে পানি ঢুকেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২০ হাজার মানুষ।

    তবে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। এর আগে ত্রাণ সহায়তা বহু লোককে দেয়া হয়েছে। আরও যেখানে প্রয়োজন সেখানে দেয়া হবে। কোনো সংকট হবে না।

    অপরদিকে নদ-নদীর পানি কমতে থাকায় শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব এলাকায় ও উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি স্থানে নদী ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে।


    এমইউআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ