ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • গৌরনদীতে শিক্ষার্থীর টিফিনের রুটিতে মিলল ব্লেড ব্রাজিলভক্ত ১৭ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন আর্জেন্টিনাভক্ত শিক্ষক এবার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত বিএম কলেজে ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শিক্ষকের, তদন্ত কমিটি গঠন বিসিসির লাইটম্যানদের মাঝে সাইকেল ও রেইনকোট বিতরণ লিওনেল মেসিকে বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার ঘোষণা আইএফএফএইচএসের এমপি গাজীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন: ইসি সচিব ফের ধসে পড়ল পায়রা বন্দরের আবাসিক এলাকার সীমানা দেওয়াল ঝালকাঠিতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু, উচ্চ ঝুঁকিতে ৭ এলাকা দল থেকে বহিষ্কার হলেন এমপি নজরুল, আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি
  • শিশু কন্যাকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগে মায়ের নামে মামলা

    শিশু কন্যাকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগে মায়ের নামে মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ও সতিনকে ফাঁসাতে নিজের দেড় বছরের কন্যা শিশুকে হত্যার অভিযোগে কলি নামে এক গৃহবধূর নামে মামলা হয়েছে।

    শিশুটিকে গলাটিপে হত্যার পর পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে ইসমত আরা কলি নামে ওই গৃহবধূর নামে মামলাটি করেন তার সতিন ফাহমিদা ইসলাম বিথি।

    সোমবার (২৩ মে) দুপুরে বরগুনার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাহবুব আলম বরগুনা থানার ওসিকে মামলা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।  

    মামলার আসামিরা হলেন- বরগুনা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নিহত আদিবা আমীনের মা ইসমত আরা কলি, কলির তিন ভাই জাকির হোসেন, আশ্রাফ, আনোয়ার হোসেন ও বোন জেলি।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইসমত আরা কলিকে ২০১৩ সালে বিয়ে করেন হাফেজ আল আমীন। তাদের দুই সন্তান শেফা ও আদিবা আমীন। কলির বেপরোয়া চলাফেরার কারণে আল আমীন তাকে গত বছরের ২০ এপ্রিল তালাক দেন।  

    এরপর ফাহমিদা ইসলাম বিথিকে বিয়ে করে ঢাকায় থাকেন। তালাক দেওয়ায় আল আমীনের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৪ মে বরগুনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন কলি।  

    আল আমীন আদালতে হাজির না হলে কলি প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে গত বছরের ৬ অক্টোবর আল আমীনের বড়ভাই বশিরের বাসায় এসে আপসের কথা বলেন।  

    আল আমীন ফোনে জানিয়ে দেন আপস করতে রাজি নন। এতে কলি ও তার ভাইয়েরা ক্ষুব্ধ হয়ে বশিরের ঘর থেকে ওই দিন দুপুরে তার দেড় বছরের কন্যা সন্তান আবিদা আমীনকে নিয়ে রাগে-দুঃখে ও অভিমানে গলাটিপে হত্যা করে আল আমীনের প্রতিবেশী মিরাজের পুকুরে ফেলে দেয়।  

    পরে কলি বাদী হয়ে আল আমীন, মনির, সেলিনা, ফাহমিদা ইসলাম বিথি ও লণ্ডন প্রবাসী জহিরুলের নামে বরগুনা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন।  

    বাদী ফাহমিদা ইসলাম বিথি বলেন, আমি কোনোদিন শ্বশুরবাড়ি যাইনি। আমার স্বামী আল আমীন কলিকে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করেছেন। আমরা থাকি ঢাকায়। কলি নিজের সন্তান হত্যা করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়। আমরা সাড়ে তিন মাস জেল খেটেছি। আমার স্বামী আল আমীন এখনো জেলহাজতে।  

    এ ব্যাপারে ইসমত আরা কলি বলেন, আমি যে আগে মামলা করেছি সেটি সত্য। বিথি যে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তা সঠিক নয়।  

    এ বিষয়ে বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ জানান, আদালতের আদেশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ