শেবাচিম থেকে দরজা, জানালা ও লোহার গ্রীল নিয়ে গেল ওয়ার্ড মাস্টার

বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গনপূর্ত অধিদপ্তরের নিলামের জন্য রাখা পুরাতন বেশ কিছু মালামাল নিয়ে গেছে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে এমন অভিযোগের বিষয়টি নিজেই স্বীকার করেছেন ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম। অভিযোগে জানাযায়, বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫ম তলার পথ্য বিভাগের কাছে থাকা পুরাতন ৯ জোড়া দরজা, ৫ জোড়া লোহার গ্রীল ও ৫ জোড়া জানালা নিয়ে যান ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার দিকে ৫তলা থেকে সরকারি এসব মালামাল নিচে নামিয়ে ভ্যানগাড়ি যোগে নগরীর ধানগবেষনা এলাকার নিজ বাড়িতে গোপনে নিয়ে যান। বিষয়টি অনেকেই প্রত্যক্ষ করেছেন।
সূত্র আরো জানায়, সম্প্রতি হাসপাতালের ৫ম তলার কেবিন ব্লোকে উন্নয়ন মূলক কাজ করে গনপূর্ত বিভাগ। এসময় সেখানকার পুরানো দরজা , জানালা এবং লোহার গ্রীল পথ্য বিভাগের পাশে স্তুপ করে রাখা হয়। ইতিপূর্বে এসব মালামাল রক্ষানাবেক্ষনের দায়িত্বে ছিলেন ওয়ার্ড মাস্টার মশিউর রহমান। তার পরিবর্তে সম্প্রতি এদায়িত্ব দেয়া হয় ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালামকে। তিনি রক্ষনাবেক্ষন না করে নিজেই সরকারি ওইসব মালামাল গোপনে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।
এবিষয়ের জানতে চাইলে ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম বলেন, সন্ধ্যায় না বিকেলে আমি আমার বাড়ির কাজের জন্য হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত উপ বিভাগের এস ও (উপ সহকারী প্রকৌশলী) রফিককে বলে এগুলো নিয়েছি। এগুলো সবই হাসপাতালের পুরাতন মালামাল। যা অকশনের জন্য গুদামজাত করে রেখেছে গণপূর্ত বিভাগ। সেখান থেকেই মালামাল গুলো নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত উপ বিভাগের এস ও (উপ সহকারী প্রকৌশলী) রফিকুল হাসান জানান, হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আমাকে তার এলাকার একটি মাদরাসার জন্য একটি দরজার কথা বলে। যেহেতু মাদরাসার কথা বলেছে তাই আমি এখতিয়ার না থাকা স্বত্বেও একটি দরজা নেওয়ার অনুমতি দেই। পরে বাথরুমের জন্য আরো একটি দাবি করলে দুটি দরজা তিনি নেন। যেসময়ে তিনি দরজা নিয়েছেন সেই সময়ে আমি হাসপাতালে ছিলামনা।
এএজে