ইজিবাইকের লাইসেন্সের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ

থ্রি হুইলার ও সমজাতীয় মোটরযানের নীতিমালা -২০২২ অনুযায়ী বিআরটিএ কর্তৃক ব্যাটারিচালিত যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান, লাইসেন্স নিয়ে চাঁদাবাজি ও প্রতারনা বন্ধের দাবিতে বরিশালে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার প্রখড় রোদের মধ্যে বেলা ১১টা থেকে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপি নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর রোডে শত শত শ্রমিকের উপস্থিতিতে এ অবরোধ এবং বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে ব্যাটারিচালিত রিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা শাখা।
এসময় তারা নগরীর সড়কগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পার্কিং স্টান্ড নির্ধারনের দাবিও জানান। পরে পুলিশ প্রহরায় নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে জেলা প্রশাসক এবং বিআরটিএ পরিচালক বরাবর স্মরকলিপি প্রদান করেন বিক্ষোভকারীরা।
এর আগে বাসদ বরিশাল জেলা শাখা সদস্য সচিব ডা. মনীষা চত্রবর্তীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা শহীদুল ইসলাম, আব্দুল মালেক হাওলাদার, দুলাল মল্লিক, গোলাম রসুল, নুরুল হক হাওলাদার, মহসিন মীর ও নারী নেত্রী জোহরা খাতুন রেখা।
সমাবেশে ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা লাইলেন্স চাই, কোন ধোকাবাজি চাই না। কোন দালাল চাঁদাবাজদের মাধ্যমে লাইসেন্স নেব না। লাইসেন্সের নামে কোন চাঁদাবাজি হলে সকল শ্রমিকদের সর্বশক্তি প্রয়োগ করে বরিশাল অচল করে দেব।
এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, সোমবারের কর্মসূচি সফল করতে গত রোববার নগরীর লোহারপুল এলাকায় প্রচারনায় যান ব্যাটারিচালিত রিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদের সদস্যরা। এসময় তাদের ওপর হামলা করে চাঁদাবাজরা। এর আগেও শ্রমিকদের পথসভায় চিহ্নিত চাঁদাবাজরা বাধা সৃষ্টি করে। এসব চাঁদাবাজদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান শ্রমিক এবং বাসদ নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ শেষে সড়কে প্রচন্ড রৌদ্রের তাপ উপেক্ষা করে শত শত শ্রমিকদের নিয়ে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় মিছিলটি সদর রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক, বিআরটি’এ কার্যালয়ে স্বারকলিপি প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ।
এদিক, সোমবার বিকাল ৩টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে সমাবেশের আয়োজন করেছে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বরিশাল সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।
এইচকেআর