হাতবদলেই দাম বাড়ছে কাচা বাজারের

শাওন ইসলাম। বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী তিনি। বরিশালের পোট রোডে দৈনন্দিন বাজারে করার সময় কথা হয় তার সঙ্গে মতবাদ প্রতিবেদকের। তিনি জানান, ঈদের ছুটি শেষ করে গ্রাম থেকে কয়েকদিন আগে বরিশালে এসেছেন।
কৃষিজীবী পরিবারের সন্তান তিনি, চাকরি করার কারণে বরিশালে থাকেন। গ্রামের তার কৃষিজীবী বাবা ও অন্যরা যে দামে সবজি বিক্রি করতে দেখে এসেছেন। শহরে কিনতে গিয়ে দেখচ্ছেন কোনো কোনো পণ্য দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা দাবি করছেন, কৃষি পণ্য কৃষকের কাছ থেকে ভোক্তার হাতে আসা পর্যন্ত একাধিক হাতবদল হয়। তাই সবজির দাম দ্বিগুণ বাড়ে যাচ্ছে।
পোট রোড কাঁচাবাজারের জামাল নামে এক বিক্রেতা জানান, শুক্রবার (১৩ মে) বাজারে পটল ৪০ টাকা, বেগুণ ৫০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, লাউ ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা, রসুন ৮০ টাকা, ঝিঙে ৩৫ টাকা এবং টমেটো ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মাসুদ রানা নামে এক আড়ত ব্যবসায়ী মতবাদকে জানান, তিনি বরিশালে ট্রাকে করে নিয়মিত সবজি সরবরাহ করেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে পণ্য কিনে বরিশালে পাঠান। সেক্ষেত্রে ৩ টনের একটি পিকআপের ভাড়া দিতে হয় ১২ হাজার টাকার একটু বেশি। পথে বিভিন্ন জায়গায় টাকা দিতে হয়। তাই তাদেরও একটু বেশি দামে বিক্রি সবজি বিক্রি করতে হয়। অপরদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা একটু বেশি লাভবান হওয়ার জন্য আড়ত যে দামে পণ্য কেনেন। তার থেকে প্রায় ডবল দামে ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করেন।
তবে ঈদের আগে যে দামে মুরগি বিক্রি হয়েছে, বর্তমানেও সেই একই দামে মুরগি বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।
এদিকে কিছুটা দাম বেড়েছে ডিমেরও। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৮ টাকায়, হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা পর্যন্ত।
এমইউআর