ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ইসলামী আন্দোলন বরগুনার সভাপতি হলেন অলি উল্লাহ বরগুনায় ১৭ লাখ টাকার ৬৯০ কেজি নিষিদ্ধ শাপলা পাতা-গিটার মাছ জব্দ ওমান উপকূলে ছড়িয়ে পড়েছে তেল, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা লোডশেডিংয়ের সমাধান নিয়ে মন্ত্রী বললেন, আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই ফখরুল রাষ্ট্রপতি প্রার্থী, রাতারাতি বদলে গেলো তিন মন্ত্রণালয়ের সমীকরণ সেরা ‘সড়ক যোদ্ধা সম্মাননা’ জুবায়ের ইসলাম চৌধুরী ২৪ ঘণ্টায় বরিশালে ২৮মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড আগৈলঝাড়ায় শাপলা বিক্রি করে দিনে আয় ৩ হাজার টাকা বরিশাল রেঞ্জের নতুন ডিআইজি জুলফিকার আলী হায়দার চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের রূপকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি আর নেই
  • আগৈলঝাড়ায় বিক্রি বেড়েছে তাল শাঁসের

    আগৈলঝাড়ায় বিক্রি বেড়েছে তাল শাঁসের
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    আগৈলঝাড়ায় শৌখিন ক্রেতা থেকে শুরু করে সাধারন মানুষের কাছে মধু মাসের ফল তাল শাঁসের কদর বেড়ে গেছে। 

    গরমে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে এ ফল। সহজলভ্য ও মুখরোচক হওয়ায় এ সময় বিভিন্ন বয়সী মানুষের পছন্দের তালিকায় থাকে তাল শাঁস। তালের নরম কচি শাঁস খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বর্তমানে এর চাহিদা বেড়েছে।

    উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কের মোড়ে মোড়ে বিক্রেতারা এখন হরদমে বিক্রি করছেন তাল শাঁস। কোন কোন বিক্রেতারা ভ্যানযোগে পাড়া ও মহল্লায় ঘুরে ঘুরে তাল শাঁস বিক্রি করছেন। 

     বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল ঘুরে তাল শাঁস ক্রয় করে তা বিক্রি করে জিবীকা নির্বাহ করছেন শত শত পরিবারের লোকজন। 
    গৈলা গ্রামের তাল শাঁস বিক্রেতা আবেল বৈরাগী জানান, প্রতিবছর মধুমাসে সে আগৈলঝাড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে তাল ক্রয় করে গাছ থেকে পেড়ে এনে তাল শাঁস বিক্রি করে থাকেন। তিনি প্রতি বছরই এ সময় তালের শাঁস বিক্রি করে সংসার চালান। বৈশাখ মাস থেকে জ্যৈষ্ঠের অর্ধেক সময় পর্যন্ত চলবে তালের শাঁস বিক্রি।

    আরেক তাল শাঁস বিক্রেতা অনু সরদার জানান, এক একটি তাল গাছ ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকায় ক্রয় করে থাকি। পরে সেই তাল গাছ থেকে তাল পেড়ে ভ্যানযোগে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করি। তাতে একটি তাল গাছে ভালো ফলন হলে সেই গাছের তাল বিক্রি করে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা আয় করা যায়। এছাড়া প্রচন্ড গরম থাকায় তাল শাঁসের চাহিদা রয়েছে বেশি। প্রতিটি তালের শাঁসের পিস বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকায়। প্রতিদিন প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ তাল শাঁস বিক্রি হয়। এতে তার লাভ হয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।

    তাল শাঁস ক্রেতা প্রবীর বিশ্বাস ননী, সাইফুল ইসলাম, আজাদ রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলায় উপজেলার অসংখ্য তাল গাছ বিনষ্ট হয়ে গেছে। তাছাড়া চলতি মৌসুমে তালের ফলন কম হওয়ায় উপজেলার সর্বত্র তাল শাঁসের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে চড়া মূল্যে এ মৌসুমী ফল বিক্রি করতে হচ্ছে বলেও সে উল্লেখ করেন। 

    তাল শাঁস বিক্রেতা আবেল বৈরাগী আরও জানান, প্রতিটি তাল শাঁস তিনি ১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এতে তার প্রতিদিন তিন থেকে চার’শ টাকা আয় হচ্ছে। সৌখিন ক্রেতা থেকে শুরু করে স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী, পথচারীরা প্রচন্ড গরমে একটু স্বস্তি পেতে ভিড় করছেন তাল শাঁস বিক্রেতাদের কাছে। 

    বুধবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে, গাড়ি থামিয়ে অনেক শৌখিন ক্রেতারাও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য পীর (একবোটা) হিসেবে তাল শাঁস ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন। রিস্কা চালক থেকে শুরু করে সকল শ্রেণী পেশার লোকজনই মৌসুমী ফল তাল শাঁস ক্রয় করতে ভিড় করছেন বিক্রেতাদের কাছে। চলতি মৌসুমে তালের ফলন কম হওয়ায় বিক্রেতাদের আনা মৌসুমী ফল তাল শাঁস মুহুর্তের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ