অশনি’র প্রভাবে বরিশালে বৃষ্টি, প্রস্তুত ৩১৬ আশ্রয় কেন্দ্র

ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র প্রভাবে বরিশালে সকাল থেকে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়। কোথায় কোথায় আবার ভারী বর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। তবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া আছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
এদিকে ঘূর্নিঝড় অশনিকে সামনে রেখে বরিশালে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩১৬টি আশ্রয় কেন্দ্র। এছাড়া অতিরিক্ত প্রস্তুতি হিসাবে আরও ৭৫৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশ্রয়নের জন্য প্রস্তুত রাখতে উপজেলা নির্বাহি অফিসারদের নির্দেশ দেয়া আছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) প্রশান্ত কুমার দাস।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আমরা সিপিপি কর্মীদের প্রস্তুত রেখেছি। যথেষ্ট শুকনো খাবার মজুত আছে। ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি বুঝে পরবর্তীতে আরও প্রস্তুতি নেয়া হবে।
পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ (ASANI) উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি সোমবার (০৯ মে) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৮৫ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মােংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২০ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কি.মি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১৭ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ০২ (দুই) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এমইউআর