বরিশালের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

বৈরী আবহাওয়া উপক্ষো করে ঈদের দিন বরিশাল নগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে শেষ বিকেলে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তনের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু উদ্যান, ত্রিশ গোডাউন, দুর্গাসাগর, প্লানেট ওয়ার্ল্ড শিশুপার্ক, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, স্বাধীনতা পার্কসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সের মানুষের উপস্থিত ছিল। করোনার কারণে টানা দুই বছর পর মুক্ত বাতাসে প্রাণ খুলে নিশ্বাস নিতে পারছেন বলে জানান দর্শনার্থীরা।
প্লানেট ওয়ার্ল্ড শিশু পার্কের টিকিট ক্লার্ক সুমাইয়া বলেন, গত দুই ঈদে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে লোকজন তেমন একটা আসেনি। করোনা সংক্রমণের ভয় ছিল সাধারণ মানুষের মাঝে। আবার প্রশাসন থেকেও আমাদের পার্ক বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। এখন করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আজ ঈদের দিন সকাল থেকেই পার্কে শিশুসহ সকল বয়সী মানুষের অনেক ভিড় ছিল।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা শাহীন ও সানজিদা দম্পতি বলেন, গত দুটি বছর মনে হয় ঘরে থাকতে থাকতে দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। গৃহবন্দীভাবে ঈদ কাটিয়েছি। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে যেতে পারিনি। তবে এবার করোনার সংক্রমণ না থাকায় নির্ভয়ে বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরতে এসেছি। কীর্তনখোলা নদীর তীরে মুক্ত বাতাসে মন খুলে নিঃশ্বাস নিতে পারছি। অনেক ভালো লাগছে।
তিথি নামের অপর এক কলেজছাত্রী বলেন, ‘টানা দুই বছর আমরা করোনা মহামারির মধ্যে ছিলাম। ঘরের বাইরে খুব একটা বের হতে পারিনি। এবার করোনা সংক্রমণ অনেক কম, নাই বল্লেই চলে। তাই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে বের হয়েছি। অনেকেই এসেছে আমাদের মত আড্ডা দিতে। দেখে অনেক ভালো লাগছে।
এদিকে, ‘ঈদ উল ফিতরে বিনোদন প্রেমিদের নিরাপত্তা দিতে কাজ করে যাচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের টহল টিম দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়া সাদা পোশাকে নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।
ঈদ আনন্দকে ঘিরে বরিশাল নগরীর কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঈদের দিনের সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিলো বলে জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
কে আর