ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত  ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে শুভেচ্ছা জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ঝালকাঠিতে মৎস্য বিভাগের অভিযানে হামলা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ আহত ৭ বরিশালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরিশালে নয়টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ২১৫টি পদ থাকলেও শূন্য ৭৯টি, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নানা আয়োজনে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত কলাপাড়ায় মাছের ঘের থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার উজিরপুরে দুর্নীতির অভিযোগে ভূমি অফিসের দুই কর্মচারী প্রত্যাহার, গাড়িচালককে অব্যাহতি
  • লড়াইয়ের 'কেন্দ্রস্থল' মারিওপোল কার নিয়ন্ত্রণে?

    লড়াইয়ের 'কেন্দ্রস্থল' মারিওপোল কার নিয়ন্ত্রণে?
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    আজভ সাগরতীরের ব্যস্ত বন্দর শহর মারিওপোল গত সাত সপ্তাহ ধরে রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর মধ্যেকার এক তিক্ত লড়াইয়ের কেন্দ্রস্থল।

    প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনেস্কি শহরটিকে 'এই যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু' বলে বর্ণনা করেছেন। খবর বিবিসির।

     
    ইউক্রেনের সৈন্যরা অনেক চেষ্টা করেও অবরোধ ভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    ধারণা করা হচ্ছে সেখানে এখনও প্রায় এক লাখ বাসিন্দা আছে এবং দেড় হাজার ইউক্রেনীয় সেনা আশ্রয় নিয়েছে।

    যুদ্ধের আগে মারিওপোলে থাকতেন প্রায় পাঁচ লাখ বাসিন্দা। এটি ছিল ব্যস্ত এক বন্দর এবং শিল্পনগরী।

    শহরটি রুশ বাহিনীর অন্যতম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

    মানচিত্রের এমন জায়গায় শহরটির অবস্থান, যেটিকে দখল করা গেলে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী এলাকার সাথে দক্ষিণে ক্রিমিয়া উপদ্বীপের একটি সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে।

    দুই হাজার চৌদ্দ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়াকে নিজেদের সাথে যুক্ত করে নেয়, যেটাকে অবৈধ বলে মনে করে পশ্চিমা দেশগুলোসহ অনেকে।

    রাশিয়া দাবি করে আসছে মারিউপোল তাদের 'প্রায়' নিয়ন্ত্রণে।

    এমনকি পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্ন অঞ্চলগুলোর একজন নেতাকে শহরটির নতুন মেয়র হিসেবেও নিয়োগ দেয়া হয়। তবে রুশপন্থী সাবেক এই স্থানীয় কাউন্সিলর তার দায়িত্ব বুঝে নেননি।

    তবে ইউক্রেনীয়রা বলছে মারিউপোলকে ঘেরাও করে রাখা রুশ সৈন্যরা এর কিছু কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করলেও শহরটি পুরোপুরি তাদের দখলে যায়নি।

    এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেমন-বন্দর এবং আজভস্টাল ইস্পাত কারখানার মতো প্রধান শিল্প এলাকাগুলো এখনও ইউক্রেনের সৈন্যদের নিয়ন্ত্রণেই আছে।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ