ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আইনের শাসন অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক, ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি উপাচার্যের  বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু ‘দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নেই, রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতো’ জাতীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অ‌ভিযোগ পায়‌নি ইইউ নির্বাচন মিশন কালবৈশাখী তাণ্ডব চালালো নলছিটির জনপদে, ঘর ধসে এক শিশুর মৃত্যু বন্দিদশায় থেকেও দুর্ঘটনার কবলে সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক রাজধানীর গুলশানে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যা সৌদি আরবে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু ভাইরাসে আক্রান্ত নেইমার
  • লড়াইয়ের 'কেন্দ্রস্থল' মারিওপোল কার নিয়ন্ত্রণে?

    লড়াইয়ের 'কেন্দ্রস্থল' মারিওপোল কার নিয়ন্ত্রণে?
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    আজভ সাগরতীরের ব্যস্ত বন্দর শহর মারিওপোল গত সাত সপ্তাহ ধরে রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর মধ্যেকার এক তিক্ত লড়াইয়ের কেন্দ্রস্থল।

    প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনেস্কি শহরটিকে 'এই যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু' বলে বর্ণনা করেছেন। খবর বিবিসির।

     
    ইউক্রেনের সৈন্যরা অনেক চেষ্টা করেও অবরোধ ভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    ধারণা করা হচ্ছে সেখানে এখনও প্রায় এক লাখ বাসিন্দা আছে এবং দেড় হাজার ইউক্রেনীয় সেনা আশ্রয় নিয়েছে।

    যুদ্ধের আগে মারিওপোলে থাকতেন প্রায় পাঁচ লাখ বাসিন্দা। এটি ছিল ব্যস্ত এক বন্দর এবং শিল্পনগরী।

    শহরটি রুশ বাহিনীর অন্যতম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

    মানচিত্রের এমন জায়গায় শহরটির অবস্থান, যেটিকে দখল করা গেলে পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী এলাকার সাথে দক্ষিণে ক্রিমিয়া উপদ্বীপের একটি সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে।

    দুই হাজার চৌদ্দ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়াকে নিজেদের সাথে যুক্ত করে নেয়, যেটাকে অবৈধ বলে মনে করে পশ্চিমা দেশগুলোসহ অনেকে।

    রাশিয়া দাবি করে আসছে মারিউপোল তাদের 'প্রায়' নিয়ন্ত্রণে।

    এমনকি পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্ন অঞ্চলগুলোর একজন নেতাকে শহরটির নতুন মেয়র হিসেবেও নিয়োগ দেয়া হয়। তবে রুশপন্থী সাবেক এই স্থানীয় কাউন্সিলর তার দায়িত্ব বুঝে নেননি।

    তবে ইউক্রেনীয়রা বলছে মারিউপোলকে ঘেরাও করে রাখা রুশ সৈন্যরা এর কিছু কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করলেও শহরটি পুরোপুরি তাদের দখলে যায়নি।

    এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেমন-বন্দর এবং আজভস্টাল ইস্পাত কারখানার মতো প্রধান শিল্প এলাকাগুলো এখনও ইউক্রেনের সৈন্যদের নিয়ন্ত্রণেই আছে।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ