আগৈলঝাড়ায় মেডিকেল পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

মায়ের ইচ্ছানুযায়ি মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় চান্স না পাওয়ার আশংকায় শিক্ষিকা মায়ের বকুনীর কারণে ভর্তি পরীক্ষার আগের দিন ৩১ মার্চ মেধাবী শিক্ষার্থী লিপি মন্ডল ফ্যানের সাথে গালায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শিক্ষার্থী লিপি মন্ডল বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের পাকুরিতা গ্রামের সুভাশু ওরফে পংকজ মন্ডল এবং ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমীর শিক্ষিকা মলিনা মন্ডলের মেয়ে।
লিপি এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেল জিপিএ-৫ পেয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল। সে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতেও ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল।
৩১মার্চ তেজগাঁও থানার মনিপুরি পাড়ার ৬নং গেটের ভাড়াটিয়া বাসায় থেকে গলায় ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় ঢাকা তেজগাঁও থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মামলা নং-০৫, (৩১-০৩-২০২২ইং)।
লিপির বাবা সুভাংশু মন্ডল জানান, মেডিকেলে ভর্তির প্রস্তুতির জন্য তিন মাস আগে তেজগাঁও থানার মনিপুরি পাড়ার ৬নং গেটের একটি বাড়ির চার তলায় দুটি রুম ভাড়া নেয় সে।
ওই বাসায় পড়াশুনা করছিলো লিপি। ৩১ মার্চ ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
লিপির মামা কালাচাঁদ মজুমদার জানান, ১ এপ্রিল মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দিত লিপি। লিপির মা তাকে ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাবার জন্য খুব বেশী চাপ দিত।
লিপির প্রস্তুতি হয়তো ভাল না হওয়ায় ভর্তি পরীক্ষা দিতে অনিহা প্রকাশ করলে লিপির পরিবারের লোকজন চাপ প্রয়োগ করলে লিপি আত্মহত্যা করে। পরে লিপির লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌছলে তার অন্তোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
এইচকেআর