আগৈলঝাড়ায় রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগে হাজারও মানুষ

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গুরুত্বপূর্ণ জনসাধারনের যোগাযোগের ব্যস্ততম রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ এলাকার বাসিন্দাদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের কাজীরহাট থেকে ছয়গ্রাম বাজার পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারের অভাবে হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এই রাস্তাটি অনেকদিন ধরে জরাজীর্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আগৈলঝাড়া থেকে মাহিলারা, ছয়গ্রাম, বেলুহার, ডিএসবিরহাটসহ গৌরনদী উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কাজীরহাট বাজার থেকে ছয়গ্রাম বাজার পযর্ন্ত রাস্তার বেশির ভাগ স্থান ভেঙ্গে গিয়ে গর্ত ও খানাখন্দে পরিনত হয়ে এখন চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পরেছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুঘর্টনা। এই রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় রাস্তাটির বেশির ভাগ স্থানে বিটুমিন, পাথর উঠে গিয়ে গর্তে পরিনত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুঘর্টনার শিকার হচ্ছে প্রায়ই।
রাস্তায় চলাচলকারী শিক্ষার্থী আমান সরদার বলেন, স্কুলে যাতায়াতের সময় গর্তে পড়ে গিয়ে দুঘর্টনার শিকার হতে হচ্ছে আমাদের। স্কুলে যেতে হয় তাই চলাচল বন্ধ করতে পারছি না। এই রাস্তা ছাড়া স্কুলে যাওয়াতের আর কোন রাস্তাও নেই। তাই বাধ্য হয়ে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
স্থানীয় মজিবর রহমান জানান, পথচারীরা চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুঘর্টনার শিকার হচ্ছেন। যতই দিন যাচ্ছে ততোই দুর্ভোগ বাড়ছে। ওই রাস্তায় চলাচলকারী এলাকাবাসী ও পথচারীরা অভিযোগ করে বলেন, জরাজীর্ন এই রাস্তাটি সংস্কারের কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা কর্তৃপক্ষ, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যায়।
কাজীরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কখনও কখনও হেটে চলাচল করা এখন কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। তাই অতিদ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন।
রাস্তাটি নির্মানের কয়েক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও জরাজীর্ণ রাস্তটির সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পরেছে।
রত্নপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. গোলাম মোস্তফা সরদার জানান, জনসাধারনের যোগাযোগের ব্যস্ততম রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। অতিদ্রুত যাতে রাস্তাটি সংস্কার করা যায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহন করবো। যাতে করে এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমে যায়।
এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। তারা প্রকল্প পাশ করলেই সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
এইচকেআর