ঢাকা শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল নগরীর ২৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল মাত্র ৭ হাজার টাকা বিনিয়োগে ৫৩৭ কোটির সাম্রাজ্য গড়লেন তরুণী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ গুরুতর অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি : বঙ্গভবন অবসরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত মেসির! রাজকীয় বিদায়ের প্রস্তুতি আর্জেন্টিনার পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মোদীর আশ্বাসে থামছে না আন্দোলনকারীরা, কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে ৯০ দিনেই ভোট, যেভাবে নির্বাচন করে ইসি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার
  • বাঁশের তৈরি সামগ্রী এখন বিলুপ্তির পথে

    বাঁশের তৈরি সামগ্রী এখন বিলুপ্তির পথে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    দিন দিন বাঁশের তৈরি পণ্যের কদর কমে যাওয়ায় ঐতিহ্য হারাতে বসেছে এই শিল্প। বাংলার ঐতিহ্যবাহী এসব বাঁশ শিল্পের সঙ্গে সদর উপজেলার খেজুরতলা,কুমড়াখালী,হেলুবুনিয়া,খাজুরা গ্রামের ২১টি পরিবারের নারী ও পুরুষ বাঁশ শিল্প কারিগরদের ভাগ্যে নেমে এসছে চরম দুর্দিন। আগে মানুষ গৃহস্থালি,কৃষি ও ব্যবসা ক্ষেত্রে বেত ও বাঁশের তৈরি সরঞ্জামাদি ব্যবহার করা হলেও আধুনিক জীবনধারায় প্লাস্টিকের ব্যবহারে তা এখন বিলুপ্তির পথে।  

     কালের পরিবর্তের সঙ্গে সঙ্গে বাঁশের তৈরি পণ্য বিশেষ আর চোখে পড়ে না। অপ্রতুল ব্যবহার আর বাঁশের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বাঁশ শিল্প আজ হুমকির মুখে। এসব বাঁশের তৈরি সামগ্রী বাচ্চাদের দোলনা, পাখা, কুলা, চালনীসহ বিভিন্ন প্রকার আসবাবপত্র গ্রামঞ্চলে বিস্তার ছিল।   যে বাঁশ একসময় ৮০ থেকে ১০০ টাকায় পাওয়া যেত সেই বাঁশ বর্তমান বাজারে কিনতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়। বাঁশের দাম যেমন বেড়েছে সেই পরিমাণ বাড়েনি এসব পণ্যের দাম। চাহিদা অনুযায়ী বাঁশের উৎপাদন কম থাকার কারণে এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধিসহ ঘর বাড়ি নির্মাণে প্রয়োজনমতো বাঁশের ঝাড় বৃদ্ধি হচ্ছে না।  

    খাজুরতলা গ্রামের বড়বাবু ও অপেন দাস জানায়, তাদের গ্রামে প্রায় ১৩টি পরিবার এ কাজে নিয়োজিত আছে। অতি কষ্টে বাঁশ শিল্প টিকিয়ে রাখতে ধার দেনা ও বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে কোনো রকম বাপ দাদার পেশা ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। প্রবীণরা বলছেন, জনপদে চাষ হতো বাঁশ, যা দিয়ে তৈরি হতো নিত্যদিনের গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহৃত আসবাব পত্র। তবে এখনো মাঝে মধ্যে গ্রামীণ উৎসব ও মেলাগুলোতে বাঁশ ও বেতজাত শিল্পীদের তৈরি খোল, চাটাই, খলুই, ধামা, টোনা, পাল্লা, মোড়া, বুক সেল্ফ চোখে পড়ে। পৌরসভাসহ এ উপজেলা ১০ টি ইউনিয়নে ৫০০-এর ওপরে পরিবার এ পেশায় সম্পৃক্ত ছিল। বাঁশ-বেত দিয়ে তারা তৈরি করতো গৃহস্থালী ও সৌখিন নানা পণ্যসামগ্রী। এসব বিক্রি করেই চলতো তাদের জীবনযাপন। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ক্ষুদ্র এ পেশাজীবীদের অধিকাংশ এখন আদি পেশা বদল করে কৃষিসহ নানা পেশায় যুক্ত হয়েছেন।  

     দেবাশীষ রায় কারিগর বলেন, বিভিন্ন সমিতি থেকে বেশি সুদ দিয়ে টাকা নিয়ে কোনো রকমে টিকে আছি। আমাদের এই শিল্পটির উন্নতির জন্য সরকারিভাবে যদি অল্প সুদে ঋণ দেওয়া হয় তাহলে এই শিল্পটি টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিয়া শারমিন বলেন, ঐতিহ্য ও এসব ক্ষুদ্র পেশাজীবীদের পুর্নবহালের জন্য আপাতত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রকল্প বা সহযোগিতা নেই। তবে, এসব বিষয়ে যথাযথ সহায়তা করা হবে।

     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ