ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

Motobad news

দেড় কোটি টাকার ব্রীজে উঠতে হয় বাঁশের মই বেয়ে!

 দেড় কোটি টাকার ব্রীজে উঠতে হয় বাঁশের মই বেয়ে!
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

আগৈলঝাড়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রীজে উঠতে হচ্ছে বাঁশের মই বেয়ে। ব্রীগের সংযোগ সড়ক নির্মান না করায় ওই ব্রীজ জনগনের কোন কাজেই আসছে না।  

সংশ্লিষ্ঠ এলজিইডি ও স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের দক্ষিন চাঁদত্রিশিরা গ্রামের খালের উপর ১ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে শরীফ এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্রীজ নির্মাণ কাজ শেষে করে। দেড় বছর আগে ঠিকাদার ব্রীজ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করলেও সংযোগ সড়ক না করায় ওই ইউনিয়নের সোমাইপাড়, নাঘিরপাড়, খাজুরিয়া, চাঁদত্রিশিরা ও আস্করসহ ১০ গ্রামের শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ বাশের মই বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে ব্রীজে উঠে পারাপার হচ্ছে।

 স্থানীয় ইউপি সদস্য সহিদুল ইসলাম জানান, সেতুর নির্মাণ কাজ দেড় বছর পূর্বে শেষ হলেও সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট করেনি ঠিকাদার, এ কারনে লোকজন বাঁশের মাই বানিয়ে সেই মাই বেয়ে ব্রীজে উঠে পারাপার হচ্ছে।

 সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস বক্তিয়ার জানান, সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকার কারনে এই সেতুটি আমাদের এলাকার লোকজনের কোন কাজেই আসছে না। আমরা এলাকাবাসী বাঁশ দিয়ে মই তৈরি করে সেই মই বেয়ে কোনরকম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রীজে উঠে পারাপার হচ্ছি। বাগধা ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য ঠিকাদারকে বার বার তাগিদ দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত মাটি ভরাট করেনি।

 ঠিকাদার ফয়েজ শরীফ জানান, ব্রীজের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। তবে ব্রীজের এক পাশে একটি পুকুর থাকায় ওই পুকুর ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করতে অতিরিক্ত বরাদ্দের দরকার। এলজিইডি বিভাগে অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই ব্রীজের দুই পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার বলেন, ব্রীজটি সচল করতে ও দুই পাশের সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য ঠিকাদারকে বলা হয়েছে। সংযোগ সড়ক তৈরি হলে সেতুতে মানুষের যাতায়াতে আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।

 

 


এইচকেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন