ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পুলিশের হেফাজত থেকে কয়েকঘন্টা পর মুক্তি পেলেন জাপা নেতা হাবুলসহ ৬ জন ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বিএনপি নেতা জিয়া সিকদার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ'লীগ নেতা হিরশিৎ ও সঞ্জিত মন্ডল বিরুদ্ধে সাতলায় মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ   ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩৪৯০ যাত্রী মমতা ব্যানার্জীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ মার্কিন অস্ত্রেও সুরক্ষা নেই, সৌদি আরবকে নাস্তানাবুদ করছে হুথিরা কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের প্রভাবে ঢাক-ঢোল কারিগরদের ব্যবসায় ভাটা
  • টেন্ডারের আগেই কেটে নিয়ে যাচ্ছে কোটি টাকার গাছ!

    টেন্ডারের আগেই কেটে নিয়ে যাচ্ছে কোটি টাকার গাছ!
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    টেন্ডারের আগেই এলাকার প্রভাবশালীরা কেটে নিয়ে যাচ্ছে সামাজিক বনায়নের কোটি টাকার গাছ। সোমবার ও মঙ্গলবার সরেজমিনে এ দৃশ্য দেখা গেছে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মক্কার পুল থেকে কাচিয়ার পুল পর্যন্ত সামাজিক বনায়ন সীমানায়।

    জানা যায়, ১৯৯৭-৯৮ সালে ভোলা বনবিভাগ ও কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় জমির মালিকদের সমন্বয়ে সরকারি রাস্তার দুই পাশে গাছের চারা রোপণ করে। বর্তমানে সৃজিত গাছ পরিপূর্ণ গাছে রূপান্তরিত হলে বনবিভাগ গাছগুলো টেন্ডারে জন্য লালকালিযুক্ত দাগ বসায়। এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে দেখা যায়, বনবিভাগ ও বনায়ন সমিতির সভাপতি দামী দামী রেইনট্রিসহ অন্যান্য প্রায় ৩ শতাধিক গাছ বাদ দিয়ে বাকি গাছে লাল কালির মার্কিং করেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, গাছগুলোই ১৯৯৭-৯৮ সালে বনবিভাগ ও বনায়ন সমিতির সমন্বয়ে লাগানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার প্রভাবশালী মহল বনবিভাগের সঙ্গে চুক্তি করে ওই দামী গাছগুলো জমির মালিকের দাবি করে টেন্ডারের অগেই কেটে নিয়ে যাচ্ছে।  

    সরেজমিনে দেখা যায়, স্থানীয় প্রভাবশালী মুজাপ্পার ফরাজীর লোকজন কাচিয়ার পুলের দক্ষিণ পাশে রাস্তার পাশ থেকে বিশাল আকৃতির দুটি রেইনট্রি গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে।

    শ্রমিকদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, গাছ দুটি আমরা মুজাপ্পার ফরাজীর কাছ থেকে কিনেছি।

    এ ব্যাপারে মুজাপ্পার ফরাজীর মুঠোফোনে বক্তব্য নিতে বার বার কল করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    বনায়ন সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন মিয়া জানান, মুজাপ্পর মিয়াসহ অনেক সদস্য বিভাগীয় বনকর্মকর্তার বরাবর আবেদন করেছে, আমি তাতে সুপারিশ করেছি।

    ভোলা উপকূলীয় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম কায়সার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জানান, আমরা কোনো আবেদন হাতে পাইনি। তাছাড়া তারা নিজেদের গাছ দাবি করলেও তদন্ত ছাড়া গাছ কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি। আমরা কাটা গাছগুলো জব্দ করেছি। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এদিকে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল অভিযোগ করে বলেন, প্রভাবশালীরা দামী দামী বিশাল আকৃতির কোনো গাছেই লাল কালির দাগ না দিয়ে গাছগুলো নিজেরা কেটে নিয়ে যাওয়ার পায়তারা করছে। সরকারের বিশাল অংকের রাজস্ব বাঁচাতে সঠিক তদন্ত করে সকল গাছ টেন্ডারের আওতায় আনার দাবি জানাই।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ