ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • দু-এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিইসি ও স্পিকারকে জামায়াতের চিঠি গৌরনদীতে শিক্ষার্থীর টিফিনের রুটিতে মিলল ব্লেড ব্রাজিলভক্ত ১৭ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন আর্জেন্টিনাভক্ত শিক্ষক এবার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত বিএম কলেজে ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শিক্ষকের, তদন্ত কমিটি গঠন বিসিসির লাইটম্যানদের মাঝে সাইকেল ও রেইনকোট বিতরণ লিওনেল মেসিকে বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার ঘোষণা আইএফএফএইচএসের এমপি গাজীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন: ইসি সচিব ফের ধসে পড়ল পায়রা বন্দরের আবাসিক এলাকার সীমানা দেওয়াল
  • লঞ্চে অগ্নিকান্ড

    শিক্ষক রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর জানেন না দগ্ধ স্ত্রী-মেয়ে

    শিক্ষক রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর জানেন না দগ্ধ স্ত্রী-মেয়ে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক। পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন তিনি। এলাকাবাসী তাকে রাজ্জাক মাস্টার নামেই চেনেন। অনেকদিন ধরে শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছিলেন তার স্ত্রী হনুফা বেগম। তাই তার চিকিৎসার জন্য বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থী মেয়ে রুবি আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় গিয়েছিলেন রাজ্জাক মাস্টার।

    ১০ দিন ঢাকায় থেকে স্ত্রীর চিকিৎসা করিয়ে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান-১০ লঞ্চে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তার আর বাড়ি ফেরা হলো না।

    গভীর রাতে সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনার পর মা-মেয়েকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বরিশালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়। তবে স্বজনরা কোথাও রাজ্জাককে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। পরে বিকালে উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে থেকে রাজ্জাকের মরদেহ শনাক্ত করেন স্বজনরা। হনুফা বেগমের বোনের ছেলে শফিকুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালা অসুস্থ ছিল। তাই চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নিয়ে যান খালু ও খালাতো বোন। গত বৃহস্পতিবার ৩ জনই বরগুনাগামী লঞ্চে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু অগ্নিকান্ডের ঘটনায় সব শেষ।

    অগ্নিকান্ডে খালার দুই হাত ও পা আর বোনের শরীরের প্রায় অংশই পুড়ে গেছে। তারা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর খালু চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তার লাশ শনাক্ত করে দাফন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত খালা ও বোনকে খালুর মৃত্যুর খবর জানাইনি। রাজ্জাক মাস্টারের স্ত্রী হনুফা বেগম স্বজনদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, গভীর রাতে হঠাৎ লঞ্চে ধোঁয়া আর আগুন দেখে ছোটাছুটি শুরু করে যাত্রীরা। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। আমরাও ছুটছি। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের শরীরে আগুন লেগে যায়। নদীতে ঝাঁপ দেয়ার জন্য আমার স্বামী আমাকে ও মেয়েকে লঞ্চের সামনের দিকে ঠেলে দেয়। এরপর আর কিছু মনে নেই। জ্ঞান ফিরে দেখি আমরা মা-মেয়ে হাসপাতালে। কিন্তু কোথাও আমার স্বামী নেই।

     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ