ঢাকা বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে মোহাম্মদপুরে ডট ইন্টারনেটের করপোরেট কার্যালয়ে হামলা-লুটপাট, আহত ২   মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে বরিশাল নগরীর ১৭ খাল  মঠবাড়িয়ায়-পিরোজপুর সড়কে ব্রিজ ভেঙে খালে ট্রাক, ১০ রুটের যান চলাচল বন্ধ ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার বিভাগীয় পর্যায়ের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত  বরিশালবাসীর চিকিৎসাসেবায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আস্থার কেন্দ্র জেনারেল হাসপাতাল: বিসিসি প্রশাসক বরিশালে বস্তি থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, পালিয়ে গেল দম্পতি গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাস ও মাহেন্দ্রার সংঘর্ষে নারী নিহত ৫ হাজার টাকা পুঁজি খাটিয়ে স্বপ্নের পথযাত্রা শুরু, এখন তিনি সফল উদ্যোক্তা
  • আমিনবাজারে ছয় ছাত্র হত্যায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

    আমিনবাজারে ছয় ছাত্র হত্যায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    আমিনবাজারে শবে বরাতের রাতে ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
    আমিনবাজারে শবে বরাতের রাতে ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    সাভারের আমিনবাজারে ডাকাতের তকমা লাগিয়ে ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।  এ ঘটনায় ১৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  ১০ বছরেরও বেশি সময় পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রায় ঘোষণা হলো।

    বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান এ রায় ঘোষণা করেন।

    এ মামলার আসামি ৬০।  তাদের মধ্যে ৩ জন মারা গেছেন, যাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।  বাকি ৫৭ আসামির মধ্যে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন মিলিয়ে ৩২ জনকে সাজা দিয়েছেন আদালত।  বাকি ২৫ জনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।  

    গত ২২ নভেম্বর ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।  মামলায় ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৫৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হলো।

    আদালত সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবেবরাতের রাতে সাভারে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ছয় কলেজছাত্রকে।  নিহতরা হলেন-তৌহিদুর রহমান পলাশ, ইব্রাহিম খলিল, কামরুজ্জামান, টিপু সুলতান, সিতাব জাবির মুনিব ও শামস রহিম শামীম। নিহতদের সঙ্গে থাকা বন্ধু আল-আমিন গুরুতর আহত হয়ে প্রাণে বেঁচে যান।

    ঘটনার পর কথিত ডাকাতির অভিযোগে বেঁচে যাওয়া আল-আমিনসহ নিহতদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী আবদুল মালেক। ওই সময় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা গ্রামবাসীকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় আরেকটি মামলা করে।

    পুলিশ, সিআইডির হাত ঘুরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্তভার র‌্যাবের হাতে দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি র‌্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন আহমেদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ‘আসামিরা নিরীহ ছাত্রদের হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে জখম করে।

    পরবর্তী সময়ে হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে মসজিদের মাইকে সবাইকে ডাকাত আসার ঘোষণা দেয় এবং থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে। বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে তাদের হত্যা করা হয়।’ ২০১৩ সালের ৮ জুলাই ৬০ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

    ওই ঘটনায় বেঁচে যাওয়া একমাত্র ভিকটিম আল-আমিনকে একই ঘটনায় করা ডাকাতি মামলা থেকে সেদিন অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    এ মামলায় ১৪ জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ