ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • সুষ্ঠু ও সুন্দর ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী           পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত পরীক্ষার্থী দুই মাস ধরে নেই ইউএনও, অতিরিক্ত কর্মকর্তা দিয়ে চলছে নলছিটি উপজেলা নিরাপদ সড়কের দাবিতে গৌরনদীতে মহাসড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ঝালকাঠির জীবা আমিনা  সচেতনতার অভাবে অসংখ্য শিশু হাম-রুবেলায় প্রাণ হারাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী  পদোন্নতির পর ওএসডি হলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন চরমোনাই পীর এএসআই পদে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ পুলিশ, আবেদন ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু
  • সাবেক অধ্যক্ষের সার্টিফিকেট জালিয়াতি ঘটনায় ফের তদন্ত কমিটি গঠন

    সাবেক অধ্যক্ষের সার্টিফিকেট জালিয়াতি ঘটনায় ফের তদন্ত কমিটি গঠন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

     

     

    অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে এবং  বরগুনার আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ ফোরকান মিয়ার বিএ পাশের সার্টিফিকেট জালিয়াতি ঘটনায় ফের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড, সৈয়দ গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

    পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।  

    মোঃ ফোরকান মিয়া বিএ (পাস) সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রী কলেজে ১৯৯৯ সালে ইসলামী শিক্ষা বিষয়ের প্রভাষক পদে চাকুরী নেন। ২০১০ সালে তিনি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ওই কলেজের অধ্যক্ষ পদে আসীন হন। অধ্যক্ষ পদে আসীন হওয়ার পর তিনি দুর্নীতি, নারী কেলেঙ্ককারী, অর্থ আত্মসাৎ ও সার্টিফিকেট জালিয়াতিরসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পরেন। ২০১৩ সালে তার বিএ পাশের সার্টিফিকেট জালিয়াতির ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। পরে তিনি স্বেচ্ছায় কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ঘটনার ৮ বছর পরে এ বছর জুলাই মাসে সুকৌশলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাকসুদা আক্তার জোসনাকে সভাপতি করে তিনি পুনরায় অধ্যক্ষ পদে বহাল হন। ফোরকানের বিএ পাশের সার্টিফিকেট জালিয়াতি ও পুনরায় অবৈধভাবে অধ্যক্ষ পদে বহাল হওয়ায় ঘটনা তদন্তে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ মজিবুর রহমান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবরে আবেদন করেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে  পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বরিশাল অঞ্চলকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্য দিবসের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ  দেয়া হয়েছে।  

    সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ ফোরকান বলেন, এখন পর্যন্ত তদন্তের কোন চিঠি হাতে পাইনি।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন নশা বলেন, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের জাল সার্টিফিকেট ও অধ্যক্ষ পদে পুনবহালের ঘটনা তদন্তে পত্র পেয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনা তদন্তে সরেজমিনে যাবোl

     


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ