ধর্ষণের আগে-পরে স্কুলছাত্রীকে ঘোরানো হয় তিন স্থানে

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। জিজ্ঞাসাবাদে সে অপহরণ ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।
গ্রেফতারকৃত মো. রশিদ মিয়া সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের মো. মফিজ মিয়ার ছেলে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বড় বেলতা (অলোয়া চর) এলাকা থেকে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৩-৪ জন যুবক অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করে। ঐ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা টাঙ্গাইল সদর থানায় এবং র্যাব অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে র্যাব তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ঐ ছাত্রীকে উদ্ধার করে। পরে প্রধান আসামি রশিদ মিয়াকে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত রশিদ মিয়া জানায়, অপহরণের পর ঐ ছাত্রীকে সিএনজি অটোরিকশায় করে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দুর্গম এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে একাধিকার ধর্ষণ করে সে। একই সঙ্গে তাকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে রাখে। এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়াতে সে সখীপুর, মধুপুর ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করতে থাকে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর বড় ভাই। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এসএম