ঢাকা শনিবার, ০২ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নবদিগন্তের সূচনা, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে জনগণ আবারও রাজপথে নামবে: হেলাল বরিশালে মে দিবসের সমাবেশে শ্রমিকের মজুরি ও নিরাপত্তা নিয়ে ক্ষোভ সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি: মির্জা ফখরুল মঠবাড়িয়ায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার ঝালকাঠিতে পুলিশ সদস্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর লাশ উদ্ধার কলাপাড়ায় ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে নারী কনস্টেবলের আত্মহত্যা ৩ মে বাজারে আসছে আগামীর সময়, বরিশাল ব্যুরো প্রধান তন্ময় তপু দেশের জিডিপি দক্ষিণ এশিয়ার সর্বনিম্ন, দুই বছর কঠিন যাবে: অর্থমন্ত্রী 
  • আপিল নিষ্পত্তির আগেই ২ জনের ফাঁসি, ক্ষতিপূরণ চায় পরিবার

    আপিল নিষ্পত্তির আগেই ২ জনের ফাঁসি, ক্ষতিপূরণ চায় পরিবার
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    আপিল নিষ্পত্তির আগেই ফাঁসি কার্যকর হওয়া আবদুল মোকিম ও গোলাম রসুলের পরিবার ক্ষতিপূরণ চায়। একই সঙ্গে বিষয়টি তদন্তপূর্বক দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও চান তারা।

    ফাঁসি কার্যকর হওয়া আবদুল মোকিম ও গোলাম রসুল ঝড়ুর বাড়ি আলমডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে হলেও তাদের পরিবারের কেউই সে গ্রামে থাকেন না। ১৯৯৪ সালে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর গোলাম রসুল ঝড়ুর পরিবার চলে যায় একই উপজেলার বেতবাড়ীয়া গ্রামে। ঝড়ুর তিন ছেলে। বড় ছেলে তারিকুল ইসলাম, মেজো ছেলে ওমর ফারুক ও ছোট ছেলে আরিফুল ইসলাম। তারা সবাই দিনমজুর।

    ঝড়ুর স্ত্রী আনজিরা খাতুন বলেন, আমরা ভূমিহীন। আমাদের থাকার মতো ৪ কাঠা ভিটা জমি আছে। ছেলেরা খেটে খায়। মামলা চালাতে গিয়ে সব শেষ। আমাদের এখন কী হবে? আমরা সঠিক বিচার পাইনি। আমি তদন্তসাপেক্ষে ক্ষতিপূরণ চাই।

    ঝড়ুর পরিবারের কেউ কেউ বলেন, ফাঁসি তো হয়েই গেছে- এখন ওসব ঘাঁটাঘাঁটি করে নতুনভাবে কোনো সমস্যায় জড়াতে চাই না। অসহায় পরিবারের পক্ষে ওসব করতে যাওয়া মানেই আবার খরচ-খরচা। কিন্তু তাতে লাভ কী? হারানো মানুষ তো আর ফিরে পাব না।

    ঝড়ুর ছোটভাই আজিম উদ্দিন বলেন, এলাকার একজনের মাধ্যমে আপিলের চেষ্টা করি। তিনি ৫০ হাজার টাকাও নিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো কাজ করেননি। পরে চুয়াডাঙ্গার অ্যাডভোকেট সামাদের মাধ্যমে আপিল করি। আপিল নিষ্পতির আগেই ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি হত্যাকাণ্ডের শামিল। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।

    এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আবদুস সামাদ বলেন, আপিলের বিষয়টি আমার স্পষ্ট মনে নেই। তবে অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন বেল্টুকে দিয়ে আপিলটি হয়তো করিয়েছিলাম। উনার কাছে জানলেই স্পষ্ট হওয়া যাবে।

    এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভোলাডাঙ্গা গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে চলে যায় আবদুল মোকিমের পরিবার। আবদুল মোকিমের দুই ছেলেমেয়ে। ছেলে মোখলেছুর রহমান দিনমজুর। মেয়ে মোমেনা খাতুনের বিয়ে হয়ে গেছে। স্ত্রী সারজিনা বেগম খুব অসহায়ত্বের মধ্যে দিন পার করছেন।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ