ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • ২০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ‘মাদ্রাজ কাফে’র অভিনেত্রী

    ২০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ‘মাদ্রাজ কাফে’র অভিনেত্রী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ২০০ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন অভিনেত্রী লীনা মারিয়া পাল। রবিবার দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং তাকে গ্রেফতার করে। জেলবন্দি প্রেমিকের হয়েই এই তছরূপের কাজ করছিলেন লীনা। লীনা বলিউডের পরিচিত মুখ। ২০১৩ সালে ‘মাদ্রাজ কাফে’-তে দেখা গিয়েছিল তাকে।

    লীনার প্রেমিক এস চন্দ্রশেখর কয়েক মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। তাকে দিল্লির রোহিণী জেলে রাখা হয়েছে। এস চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা-সহ ২১টি অভিযোগ রয়েছে। বন্দি অবস্থাতেও তিনি এই সমস্ত কুকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানতে পারে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এই কাজে তাকে জেলের দু’জন অফিসারও সাহায্য করছিলেন। পাশাপাশি প্রেমিকা, অভিনেত্রী লীনা এবং আরও দুই সহযোগী ছিলেন চন্দ্রশেখরের। লীনার সঙ্গে ওই দুই সহযোগী এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট জেল সুপারিটেন্ডেন্ট এবং ডেপুটি সুপারিটেন্ডেন্টও গ্রেফতার হয়েছেন। অপরাধের কথা স্বীকারও করেছেন রোহিণী জেলের দায়িত্বে থাকা এই দু’জন।

    গত ৭ আগস্ট ফর্টিস হেলথকেয়ারে প্রাক্তন প্রোমোটার শিবিন্দর সিংহের স্ত্রী পুলিশে অভিযোগে জানান, গত জুন মাসে আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র অফিসার সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এক ব্যক্তি। বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তার স্বামী শিবিন্দর সিংয়ের জামিন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তার স্বামী আর্থিক তছরুপের অভিযোগে জেলবন্দি ছিলেন তখন। কিন্তু আশ্বাস মতো কাজ না হলে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন। পরে তদন্তে চন্দ্রশেখরের নাম উঠে এসেছিল। পুলিশ জানতে পেরেছিল, জেলবন্দি অবস্থায় চন্দ্রশেখরই আইন মন্ত্রণালয়ের অফিসার সেজে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং চন্দ্রশেখরের কথাতেই অভিযোগকারিণী অদিতির থেকে ২০০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন লীনা।


    এইচেকআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ