ঢাকা সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শেবাচিম হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য হলেন বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু আইফোন কিনতে শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রি! বাঁশ কেনার কথা বলে ৫৫ বছর বয়সী নারীকে ধর্ষণ, আটক ১ ঝালকাঠিতে গাছের সঙ্গে মুরগীবাহী পিকআপের ধাক্কা, নিহত ১ বরিশাল নগরীর ৩০ ওয়ার্ডে নির্মিত হবে ২০টি খেলার মাঠ বরিশালে সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ, ফিরছে সুদিন  বরিশালে ২১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ববি শিক্ষকের পদত্যাগ দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ে ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ  শোলনায় বিরোধপূর্ণ জমিতে ধান চাষ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৫
  • শিশুর মোবাইল গেমের আসক্তি কমানোর ৫ উপায়

    শিশুর মোবাইল গেমের আসক্তি কমানোর ৫ উপায়
    ফাইল ছবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    আদালতের নির্দেশের পর পাবজি এবং ফ্রি ফায়ারের মতো জনপ্রিয় অনলাইন গেম ক্ষতিকর বিবেচনায় বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কিন্তু ভিপিএন সফটওয়্যার ব্যবহার করে এ গেমগুলো খেলার সুযোগ থেকেই যাচ্ছে। ফলে গেমগুলো দেশে একেবারেই বন্ধ করা সম্ভব নয়, বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত নেই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদেরও।

    এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকর পন্থা হবে অভিভাবকদের সচেতনতা ও নজরদারির বিষয়টি। এসব ক্ষতিকর গেম থেকে সন্তানকে নিরাপদে রাখতে সহজ কিছু পদক্ষেপ বাতলে দিয়েছে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল। শিশু বা কিশোর বয়সী গেমারদের ক্ষেত্রে খানিকটা নজরদারি আর খানিকটা অভিভাবকসুলভ কৌশল খাটানোর পরামর্শ দিয়েছে তারা।

    গেমের আসক্তি কমানোর ৫ উপায়


    ইএসআরবি রেটিং- সন্তান যে গেমটি খেলছে সেটির ইএসআরবি রেটিং চেক করতে হবে। আর গেমটিতে কি ধরনের কনন্টেন আছে তা চেক করা যায় ইএসআরবি রেটিং থেকে।

    সন্তানের প্রতিক্রিয়া- গেমের কনন্টেন বোঝার জন্য সন্তানের সঙ্গে অভিভাবকদেরও গেম খেলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। খেলতে খেলতে নজর রাখতে হবে এসময় সন্তানের অভিব্যক্তি বা আচরণে (শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন) দিয়ে তীক্ষ্ম দৃষ্টি রাখা দরকার। এতে গেমটিতে সন্তান কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে তা বোঝা সম্ভব হবে।

    ইন্সট্রুমেন্ট নজরদারি- ভিডিও গেম কনসোল বা কম্পিউটার সন্তানের ঘরে না রেখে বাড়ির এমন জায়গায় রাখা দরকার যেন সেটি বাড়ির সবার সামনেই থাকে।

    সময় নির্ধারণ করা- গেম খেলার সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া দরকার। আর এ সময়টা দৈনিক দুই থেকে তিন ঘণ্টার বেশি বরাদ্দ থাকা উচিত নয় বলে মত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

    মাঠের বিকল্প নেই- ভার্চ্যুয়াল গেমে শারীরিক কসরত হয় না। ফলে সন্তানের শারীরিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সন্তানকে অনলাইনে ব্যস্ত থাকার বদলে মাঠে খেলতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এ ছাড়া সন্তানের সঙ্গে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক রাখা গুরুত্বপূর্ণ।


    এইচেকআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ