ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ২ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দিল্লিতে ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো লেনদেন নয়, প্রশাসনের সতর্কবার্তা বরিশালে রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালসে যৌন হয়রানির শিকার নারী শ্রমিককে শাস্তিমূলক বদলির প্রতিবাদে গেট মিটিং  বরিশাল মহানগর পুলিশের মাস্টার প্যারেড মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা  বরিশ‍াল বিভাগের তিন জেলার ক্রীড়া সংস্থার সদস্যদের সাথে আনোয়ারুল হক তারিনের শুভেচ্ছা বিনিময় রাহুলের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে হাজারও মানুষ, যোগ দিলেন নেহাও বাবুগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু, আটক ২ আগৈলঝাড়ায় পোষ্ট মাস্টারের দায়িত্বে পোষ্টম্যান এই আনন্দ শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন সম্পৃক্ত হয়ে পরেন: জহির উদ্দিন স্বপন
  • ভোলায় মোবাইল বিক্রি না করায় কিশোরকে হত্যা, মামা-ভাগনের যাবজ্জীবন

    ভোলায় মোবাইল বিক্রি না করায় কিশোরকে হত্যা, মামা-ভাগনের যাবজ্জীবন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলা সদর উপজেলায় মোবাইল বিক্রি না করায় কিশোর রেদোয়ান রাসেলকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যার মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন জেলা ও দায়রা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের পাঙাশিয়া গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে মো. সুজন ও তার মামা মো. ইলিয়াস।

    আদালত, মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে কিশোর রেদোয়ান রাসেল তার বাবার হাওলাদার বাজারের মুদি দোকানে অবস্থান করছিল। তার সঙ্গে মায়ের কেনা নোকিয়া ১১০০ মডেলের একটি মোবাইল ফোন থাকতো। এ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলার কথা বলে প্রতিবেশী সুজন তাকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে যায়, এরপর থেকে রেদোয়ান নিখোঁজ ছিল। পরিবার ভেবেছিল রেদোয়ান হয়তো তার পার্শ্ববর্তী নিকট আত্মীয়দের বাড়িতে গিয়েছে, প্রায়ই যেত, কিন্তু স্বজনদের বাড়িতে যায়নি। এরপর নিখোঁজের পরদিন পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন।

    গত ২০০৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, দক্ষিণ চরপাতা দারোগার খালের পাশে সিদ্দিক মালের বাড়ির সামনে এক কিশোরের মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে ভোলা পৌরসভার সরকারি গোরস্তানে মরদেহ দেখে পরিবারের সদস্যরা রেদোয়ানকে শনাক্ত করেন। মরদেহের মুখ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

    এ ঘটনায় রেদোয়ানের বাবা আব্দুল হক বাদী হয়ে ২০০৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোলা সদর মডেল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন, তদন্ত শেষে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তাগণ সুজন ও ইলিয়াসকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে ২০০৯ সালের ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

    এ বিষয়ে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. তৈয়ব বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞ আদালত আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এতে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ পক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছি। সামান্য একটি মোবাইলের জন্য হত্যাকাণ্ড- এটি সামাজিক অবক্ষয়ের নমুনা, লোমহর্ষক নির্মম হত্যাকাণ্ড এটি। ভুক্তভোগীকে গলাটিপে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে খালে ফেলে দিয়েছিল আসামিরা। 


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন