আগৈলঝাড়ার বোরো মৌসুমে কৃষকের জন্য খালের কচুরিপনা পরিস্কার

হাজার হাজার কৃষকের জন্য ইরি-বোরো ব্লকের পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে আগৈলঝাড়ার পশ্চিম সীমান্ত ত্রিমুখি এলাকার সন্ধ্যা নদী থেকে বাকাল ইউনিয়নের কোদালধোয়া বাজার হয়ে বাকালহাট পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার খালের কচুরিপনা পরিস্কার কাজ শুরু করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ।
এলাকার হাজার হাজার কৃষকের কয়েক হাজার একর জমিতে ইরি-বোরো মৌসুমে সেচের জন্য সার্বক্ষণিক একমাত্র খালে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে নিজে দাড়িয়ে থেকে প্রথম দিনে ৬০জন শ্রমিক দিয়ে কাজ শুরু করেছেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বাকাল ইউপি চেয়াম্যান বিপুল দাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অনিমেষ চন্দ্র মন্ডল, বাকাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম পাইক প্রমুখ।
এলাকার কৃষক ও বাকাল ইউনিয়ন আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম পাইক জানান, ত্রিমুখি থেকে পূর্ব দিকের খালে আগে সব সময় পানি চলাচল ছিল। এই খালে সারা বছর নৌকা চলাচল করতো।
কিন্তু বছরের পর বছর ধরে কচুরীপানা জন্মানোর কারণে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয়। এর ফলে ত্রিমুখি থেকে পূর্বদিকে কোদালধোয়, বাকাল, রাজিহার হয়ে গৌরনদীর পালরদী নদী পর্যন্ত খালে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে কচুরিপনা জন্মে খাল শুকিয়ে ভরাট হয়ে যায়।
বর্ষা ও শুকনা মৌসুমের সবসময়ই খালে কচুরিপনায় ভরে থাকে। শুকনা মৌসুমে খালগুলো কচুরীপানার কারণে শুকিয়ে থাকায় পানি প্রবাহ বন্ধ থাকে। এর কারণে ইরি-বোরো ব্লকে পানি সেচ দিতে না পারায় হাজার হাজার কৃষকের বুকে হাহাকারের জন্ম নেয়।
আশাতীত ফলন থেকে বঞ্চিত হয় কৃষক। গত সোমবার রাতে উপজেলার সেরাল গ্রামের বাড়িতে গিয়ে কৃষকেরা তাদের জমিতে সেচ সমস্যার সমাধারে জন্য আওয়ামী লীগ নেতা সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহর সুদৃষ্টি কামনা করলে কৃষকের স্বার্থ চিন্তা করে তিনি মঙ্গলবার তার নিজস্ব অর্থায়নে শ্রমিক দিয়ে খালের কচুরীপানা পরিস্কার কাজের শুরু করেন।
সাড়ে ৬ কিলোমিটার খালের কচুরীপানা পরিস্কার হলে সারাবছর খালে পানি প্রবাহ সচল থাকবে। ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদনে খরচ বাঁচিয়ে হাহাকার থেকে স্থায়ী মুক্তি পাবে হাজারো কৃষক।
এইচকেআর