আগৈলঝাড়ায় মাদক বিক্রিতে নিষেধ করায় ৩ জনের উপর হামলা

আগৈলঝাড়ায় মাদক বিক্রিতে নিষেধ করায় একই পরিবারের ৩ জনের উপর হামলা করে আহত করা হয়েছে। তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এঘটনায় থানায় ১০জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আহত সুত্রে জানা গেছে, উপজেলা ফুল্লশ্রী গ্রামে রফিজদ্দিন ফকিরের তিন ছেলে যাকাত, ছালাম ও জাকির ফকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলাও রয়েছে।
মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ডিবি, র্যাব ও পুলিশের হাতে একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জামিনে এসে পুনরায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এলাকাবাসী তিন ভাইয়ের নিয়ন্ত্রিত মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবী করে আসলেও তারা কর্নপাত করেনি।
রোববার সকালে একই এলাকার রশিদ ফকিরের ছেলে জুলফিকার ফকির মাদক ব্যবসায়ীদের বড় ভাই এরশাদ ফকিরকে মাদক বিক্রি করতে তার ভাইদের নিষেধ করার কথা বলেন। এঘটনায় এরশাদ ফরিকরের সাথে জুলফিকারের বাইপাস সড়কে বাকবিতন্ডার একপর্যায় সংর্ঘষ শুরু হয়। এসময় এরশাদের তিন ভাই যাকাত, ছালাম, জাকিরসহ তাদের পরিবারের ১০-১২জনের একটিদল জুলফিকার ফকিরের উপর হামলা করে।
এসময় ছেলেকে হামলার হাত থেকে বাচাঁতে আসলে মা শাবানা বেগম ও ভাই রফিক ফকিরের উপর হামলা করে আহত করে মাদক ব্যবসায়ীরা। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এঘটনায় আহত জুলফিকার ফকির বাদী হয়ে গতকাল দুপুরে এরশাদ ফকিরের তিনভাইসহ তাদের পরিবারের ১০জনের বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। জুলফিকার ফকির জানান, মাদক ব্যবসায়ী ছালাম, যাকাত ও জাকির ফকির একাধিবার গ্রেফতার হওয়ায় তাদের পরিবার থেকে আমাকে দায়ী করে আমার উপর হামলা করা হয়েছে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
এঘটনায় বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস বলেন, একাধিকবার উপজেলা আইন-শৃংখলা সভায় মাদকের বিরুদ্ধে বলা হয়েছে। রোববার সকালের ঘটনাটি আমি শুনেছি। এঘটনা পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করা হবে।
এঘটনায় অভিযুক্ত এরশাদ ফকির বলেন, আমার ভাইদের মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে নিষেধ করলেও তারা আমার কথা শুনছেন না। গতকাল সকালে জুলফিকার ফকির আমাকে গালমন্দ করে।
যার কারনে তাকে জিজ্ঞাসা করতে গেলে সে আমার উপর হামলা করে। আমাকে তার হাত থেকে রক্ষা করতে আমার ভাইরা এগিয়ে আসলে তাদের মাদক ব্যবসায়ী বলে গালমন্দ করে জুলফিকার ও তার পরিবারের লোকজন।
এব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরবর্তীতে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এইচকেআর