ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • মঠবাড়িয়ায় ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৮০ টি ভুল, তদন্ত কমিটি গঠন ববিতে শিবিরকর্মীর ওপর মব সৃষ্টি, ছাত্রদল সভাপতিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ বরিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালিত জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলেকান্দা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে স্মরণসভা ও দোয়া  র‍্যাব-৮'র সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদুর বরখাস্ত প্রযুক্তিনির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সমগতের বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক ক্যাম্প  জিয়াউর রহমান হত্যায় পলাতক আসামি মেজর মোজাফফর আটক বানারীপাড়ায় জুলাই শহীদ দিবসে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি  বরিশালে ১১দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে: হেলাল বরিশালে পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২১ 
  • টানা বর্ষণে নিমিষেই শেষ কৃষকের স্বপ্ন

    টানা বর্ষণে নিমিষেই শেষ কৃষকের স্বপ্ন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    উপকূলের হাজারো কৃষকের স্বপ্ন এখন বৃষ্টির পানিতে ভাসছে। বৈরী আবহাওয়ায় সারাদেশে চলছে ভারী বর্ষণ। বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধান, করলা, লাউ, মরিচ, পেঁপেসহ একাধিক ফসল বৃষ্টির পানিতে ডুবে আছে। বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে কৃষকরা এতদিন যে অপেক্ষায় ছিলেন, তা টানা বর্ষণে নিমিষেই শেষ হয়ে গেছে।

    গত শুক্রবার (৪ আগস্ট) বিকেল থেকে বুধবার (১০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত একটানা মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের অনেক ফসলি ক্ষেত।

    বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব মোস্তফাপুর এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো বিলে শুধু পানি আর পানি। বেশিরভাগ ক্ষেতই তলিয়ে গেছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে লাখ লাখ টাকার ফসল। 

    নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামের কৃষক জাকির হোসেন বলেন, এ বছর আমি ২ একর জমিতে মরিচ এবং করলা চাষ করেছিলাম, ফলনও অনেক ভালো হয়েছিল। কিন্তু টানা বর্ষণে আমার সমস্ত ক্ষেত তলিয়ে গেছে। সব গাছ মরে যাচ্ছে। এখন বিক্রির মতো গাছে যে ফসলগুলো আছে তা তুলছি। 

    তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আমার প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় আশা করেছিলাম, বিক্রিও ভালো হবে। কিন্তু বৃষ্টির পানি সব কিছু শেষ করে দিয়েছি। কমপক্ষে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার।


    ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামের কৃষক লতিফ হাওলাদার বলেন, আমি এ বছর সাড়ে চার একর জমিতে বোরোধান রোপন করেছি। বর্তমানে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। টানা বৃষ্টির কারণেই এমনটা হয়েছে। পুরোপুরি না পাকায় ধানগুলো কাটতেও পারছি না, তবে বেশিরভাগ ধানই নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, অনেক পরিশ্রম করে বাড়ির পাশের জমিতে একটি পেঁপে বাগান করছি। কিন্তু বৃষ্টির পানি এতটাই বেড়েছে যে, পুরো ক্ষেত তলিয়ে গেছে। গাছগুলো সব শুকিয়ে যেতে শুরু করেছে। এভাবে বৃষ্টি থাকলে গাছগুলো সব মরে যাবে। 

    এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমআর সাইফুল্লাহ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমী সবজির কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানার জন্য আমাদের একটি টিম কাজ করছে। তবে কৃষকরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ খুব তাড়াতাড়ি কাটিয়ে উঠতে পারবেন।


     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ