ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • দাপুটে জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ চালার টিন খুলে ব্যবসায়ীর ঘরে চুরি, ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট শিক্ষক আবু তৈয়ব কর্মস্থলে প্রায় দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও পেলেন পদোন্নতি  ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে: মির্জা ফখরুল বরিশালে ব্যানার-পোস্টারবিহীন রাজনৈতিক সংস্কৃতির নতুন বার্তা কলাপাড়ায় যোগাযোগ উন্নয়নে অপ্রশস্ত কালভার্ট ; বন্ধ শতাধিক খালের পানির স্বাভাবিক প্রবাহ মঠবাড়িয়ায় ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৮০ টি ভুল, তদন্ত কমিটি গঠন ববিতে শিবিরকর্মীর ওপর মব সৃষ্টি, ছাত্রদল সভাপতিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ বরিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালিত
  • বরগুনায় চুরির অভিযোগে শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, মামলা

    বরগুনায় চুরির অভিযোগে শিশুকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন, মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নে তরমুজ চুরির অভিযোগ এনে হাত পা বেঁধে ১৬ বছরের এক শিশুকে নির্যাতন করার অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।  

    রোববার (২ এপ্রিল) দুপুরে বরগুনা শিশু আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মশিউর রহমান খান মামলাটি নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার নির্দেশ দিয়েছেন।

     
    আসামিরা হলেন- বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া গ্রামের আবদুল মোতালেব মিয়ার ছেলে সবুজ, সেকান্দার মুন্সির ছেলে মামুন ও সবুজের বাবা আবদুল মোতালেব।

    জানা যায়, একই গ্রামের মো. আলম মিয়ার নাবালক ছেলে ছাব্বির রিফাতকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই তিনজন আসামি বাদীর বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়। বাদী মো. আলম তার ছেলেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করতে গিয়ে প্রতিবেশী আবদুস সালাম বাদীকে জানায় ওই আসামিরা বাদীর ছেলে ছাব্বির রিফাতকে তুলে নিয়েছে। বাদী ও তার স্ত্রী রিজিয়া বেগম আসামি সবুজের বাড়িতে রাত ৯টায় যায়। বাদীর সামনে ওই তিনজন আসামি ছাব্বির রিফাতকে পেটাতে থাকে।

    বাদী মো. আলম বলেন, আমার ছেলে ছাব্বির রিফাতকে আমার বাড়ির  সামনে থেকে তরমুজ চুরির অপবাদে ওই তিনজন আসামি তুলে নিয়ে সবুজের ঘরের বারান্দায় ছাব্বির রিফাতের হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে সমস্ত শরীর রক্তাক্ত জখম করে। আসামিদের নিষ্ঠুর নির্যাতনে আমার ছেলে প্রসাব করে দেয়। আমি ও আমার স্ত্রী আসামিদের হাত পা ধরলেও আসামিরা নির্যাতন বন্ধ করেনি। এক পর্যায়ে আমার ছেলে জ্ঞান হারায়। তখন আসামিরা আমার ছেলের উপর নির্যাতন বন্ধ করে। আমি ছেলেকে নিয়ে বরগুনা হাসপাতালে নিয়ে আসতে চাইলে আসামিরা বাধা দেয়। পরের দিন আমার ছেলেকে বরগুনা হাসপাতালে ভর্তি করাই। আসামিরা আমাকে বলে তোমার ছেলে তরমুজ চুরি করেছে। এ কারণে আমরা পিটিয়েছি।

    আসামি সবুজ বলেন, ছাব্বির রিফাত আমাদের তরমুজ চুরি করেছে। রিফাতকে আমরা ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসা করেছি। আমরা মারধর করিনি।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ