বাকেরগঞ্জে যুবককে কুপিয়ে জখম

বরিশালের বাকেরগঞ্জে ইব্রাহিম ওরফে ফালান (২৭) নামে এক যুবককে রাতের আধাঁরে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) রাত ১১ টার দিয়ে উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের খাস মহেষপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবককে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আশংকাজনকবস্থায় চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, আহত ইব্রাহিম উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের বাসিন্দা মৃত শামসুল হকের ছেলে। ইব্রাহিম ঘটনার সময় মহেষপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা প্রতিপক্ষরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। এসময় তার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহতের স্বজন সূত্রে জানাযায়, জমিজমা ও মতানৈক্যর বিরোধেই এ হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে কারা এ হামলার সাথে জড়িত এমন প্রশ্নে মুখ খুলতে নারাজ স্থানীয়রা।
তবে আহত ব্যাক্তির স্বীকারোক্তি মুলক এক ভিডিও চিত্রে তিনি স্থানীয় মুজাফফর হাওলাদারের ছেলে আব্বাস হাওলাদার (৩০) ও মোশারেফ এর ছেলে রেজাউল হাওলাদারের নাম উচ্চারণ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মো. হুমায়ন কবির জানান, বিষয়টি আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেনে ইউপি সদস্যকে খোঁজ নিতে বলছি।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি মাকসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত এর আগেও জমি বিরোধের জেরে ২০১৬ সালের সালের ২২ জুন মসজিদ থেকে উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের টেংরাখালী গ্রামের বাসিন্দা ইয়াকুব আলী মোল্লা ছেলে সোবাহান মোল্লাকে টেনে হিচরে বের করে কুপিয়ে পা বিচ্ছিন্ন করে মুজাফফর হাওলাদারের ছেলে জসীম ও আব্বাস। ওই মামলায় আদালত জসীমকে যাবজ্জীবন সাজা দিলেও কোন এক অজানা কারনে মুক্ত হয়ে যান আব্বাস।
এইচকেআর