ঢাকা শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

Motobad news

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে হার্ট সুপারশপ ভাংচুরের অভিযোগ 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে হার্ট সুপারশপ ভাংচুরের অভিযোগ 
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর রূপাতলী এলাকার হার্ট সুপার শপে নামে একটি প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের হামলায় প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারি আহত হয়েছেন।  

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যার পরে এ ঘটনা ঘটে।  আহতরা হলেন, হার্ট সুপার শপের কর্মচারি সিদ্দিক ও বরকত।  এদিকে ঘটনার পর পুলিশের উধর্বত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলাকারিদের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। তবে হামলার ঘটনার চব্বিশ ঘন্টা পার হলেও এখনো পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় কোন  অভিযোগ দায়ের করেনি প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ। 

জানা গেছে,  মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জন শিক্ষার্থী হার্ট সুপার শপে কেনাকাটা করতে যায় এসময় তাদের হাত থেকে একটি কাচের বোতল নিচে পরে ভেঙ্গে যায়। এনিয়ে কর্মচারিদের সাথে বাকবিন্ডার সৃষ্টি হয়অ পরে কর্মচারিরা তাদের আটকিয়ে রাখে। বিষয়টি মোবাইল ফোনে সহপাঠিদের জানায় ঐ শিক্ষার্থীরা। 

আহত সিদ্দিক ও বরকত জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জন শিক্ষার্থী হার্ট সুপার শপে প্রবেশ করে তাদের প্রয়োজনীয় জিনিস দেখছিলেন। এসময় একটি কাচের বোতল ভেঙেগে ফেলে অস্বিকার করে তাঁরা। 

উল্টো আমাদের সাথে তর্কে জড়িয়ে পরে সহপাঠিদের ডেকে এনে  আমাদের মারধর ও প্রতিষ্ঠানের গ্লাস ভাংচুর করেছে। তাঁরা বলেন, হামলাকারি শিক্ষার্থীদের অনেকের নাম জানতে পারেনি। তবে শুনেছি মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারের ছেলে রাফি সিকদার বরিশাল বিশ্ববদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। রাফি সিকদারসহ ২৫-৩০ জন আমাদের বেধম মারধর করেছে। 

তবে  বিএনপি নেতা জিয়াউদ্দিন সিকদার দাবী করেছেন কর্মচারিরা শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। ছেলে রাফি সিকদার বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনার করার সুবাদে তাকে ঐ দুই শিক্ষার্থী ফোন করে নিয়ে যায়। সেখানে একটু ঘটনা ঘটেছে। তবে শুনেছি বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে। 

হার্ট সুপার শপের স্বত্তাধীকারি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, হামলার ঘটনায় বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাঁরা আমাদের সাথে বসার কথা বলেছেন। এজন্য মামলা দায়েরের স্বিধান্ত নিতে পারেনি। তবে কোন সমাধান না হলে পরবর্তি আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে। 

এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল ধানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, হামলাকারিদের ভিডিও ফুটেজ আমরা পেয়েছি। এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
 


এইচকেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন