ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পলাতক থাকার অভিযোগে বরিশালের দুজনসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লুট হওয়া পিস্তলসহ ভোলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার হুমকি মোকাবিলায় দেশেই ড্রোন তৈরি করা হবে: প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বিভাগে মাদকে ঝুঁকছে তরুণরা, ৬ মাসে ১৫৭৫টি মামলা  নাগা মরিচ চাষ করে সাফল্যের সিঁড়িতে কৃষকের স্বপ্ন! জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বিভাগীয় সেমিনার কলাপাড়ায় নার্সের বিরুদ্ধে নবজাতকের পা ভাঙার অভিযোগ বরিশালে পুলিশের আকস্মিক মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৮ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিভাগ সাঁতার প্রতিযোগিতা 
  • অর্থ আত্মসাত: বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসকের নামে মামলা

    অর্থ আত্মসাত: বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসকের নামে মামলা
    চিকিৎসক মো: মামুন অর রশিদ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    জমা করা টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মো: মামুন অর রশিদ নামে এক চিকিৎসকের নামে মামলা করেছেন এক বরগুনার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল নোমান।

    বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাহবুব আলম মামলাটি গ্রহণ করে বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

    আসামি মো. মামুন অর রশিদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ক্লিনিক্যাল আনকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার মানিকখালী গ্রামে।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী আবদুল্লাহ আল নোমানের বাড়ি দখল করে নেন তার সাবেক শ্বশুড় মহিউদ্দিন পান্না। নোমানের পরিবার বিষয়টির সূরাহা করতে ডাক্তার মামুনের সহায়তা চান। নোমান ও মহিউদ্দিন পান্নাকে নিয়ে ২০১৯ সালের ২০ জুলাই নিজ বাড়িতে  সকাল ১০টায় বৈঠকে বসেন ডাক্তার মামুন।  

    এ সময় নোমানের কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ টাকা ও ৯ লাখ টাকার পৃথক তিনটি চেক নেয় ডাক্তার মামুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছিল এ টাকা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে যে একাধিক মামলা রয়েছে সেগুলো তুলে নেওয়া হবে। টাকা ও চেক গ্রহণ করে নোমানকে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকার দেন ডাক্তার মামুন। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার পরেও নোমানের নামে পারিবারিক মামলা করে তার সাবেক স্ত্রী পপি। সেই মামলায় নোমান চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি জেলহাজতে যান।

    আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, আমি জেল থেকে বের হয়ে ১৪ জানুয়ারি ডাক্তার মামুনের কাছে টাকা ও চেক চাই। তিনি টাকা ও চেক নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন।

    এ ব্যাপারে ডাক্তার মামুন অর রশিদে বলেন, টাকা ও চেক আমার কাছে জমা আছে। আমার বিরুদ্ধে যখন মামলা হয়েছে তখন আমি আদালতে টাকা ও চেক জমা দেব।  

    কেন এতদিন টাকা দিলেন না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৈঠকে যারা ছিলেন তারা আমাকে টাকা দিতে বলেননি।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ