ঢাকা শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সহসভাপতি হলেন নুরুল হাসান স্বাক্ষর ‘গোয়েন্দারা জানিয়েছে আমার ভাতিজাকে হত্যা করেছে জিয়াউল’ বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ হাম ও হাম সন্দেহে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু জাল সনদে চাকরি: ৩৩০ কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ডাক প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করতে নয়, যুদ্ধ এড়াতে: সেনাপ্রধান শান্তর সেঞ্চুরিতে অঘোষিত ফাইনালে ২৬৫ রানের পুঁজি বাংলাদেশের বরিশালে সবুজ ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন মঠবাড়িয়ায় ইউএনওর সহায়তায় শ্রুতিলেখকে পরীক্ষা দিল সেই বিথী
  • জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম প্রত্যাহার না করলে হরতালের ঘোষনা সিপিবির

    জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম প্রত্যাহার না করলে হরতালের ঘোষনা সিপিবির
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    জ্বালানি তেলের রেকর্ড দাম বাড়িয়ে সরকার ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে বলে মনে করছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে সরকারের উচিত ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া।

    জ্বালানির বর্ধিত দাম প্রত্যাহার না করলে জেলা-উপজেলায় ঘেরাও, অবরোধ এবং প্রয়োজনে হরতালের মতো কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিপিবি। আজ শনিবার রাজধানীর পল্টনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন (প্রিন্স) এই ঘোষণা দেন।

    জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিকেলে রাজধানীর পল্টন মোড়ে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এ সময় রুহিন হোসেন বলেন, ডিজেল, কেরোসিনসহ জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সরকারের অপরাধমূলক কাজ। তেলের দাম বাড়লে যাতায়াতসহ সবকিছুর দাম বাড়বে। এতে অর্থনীতিতে চাপ পড়বে। বিপর্যস্ত হবে জনজীবন।

    এ সময় সিপিবির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, আওয়ামী লীগ সিন্ডিকেট ও লুটেরাদের সরকার। ৬২ শতাংশ সংসদ সদস্য ব্যবসায়ী। তাঁরা নিজ নিজ শ্রেণিস্বার্থ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে দেশ পরিচালনা করছেন। এই সরকার জনগণের পেটে লাথি মারছে। বাজার অর্থনীতির বিপরীতে জনগণের অর্থনীতিতে দেশ পরিচালনা করা না গেলে দেশের অবস্থা আরও শোচনীয় হবে।

    বাংলাদেশে টাকার এখনো গুরুতর সংকট হয়নি বলে মন্তব্য করেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এম এম আকাশ। অর্থনীতির এই অধ্যাপক সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘লুটেরা ও পাচারকারীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে দেশ পরিচালনা করুন। 

    আইএমএফের কাছ থেকে ধার করে দেশকে বিপদে ফেলার কোনো নৈতিক অধিকার আপনাদের নেই।’

    সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সিপিবির সহসাধারণ সম্পাদক মিহির ঘোষ, কেন্দ্রীয় সদস্য সাজ্জাদ জহির চন্দন প্রমুখ। প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে পুরানা পল্টন থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

    সমাবেশ থেকে জ্বালানি তেল ও সারের দাম না কমানো পর্যন্ত সারা দেশে সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ অব্যাহত রেখে অবরোধ ও হরতালের জন্য লোকজনকে সংগঠিত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই দাবিতে আজ সারা দেশের অন্তত ২৫টি জেলায় সিপিবির নেতা–কর্মীরা বিক্ষোভ করেন।


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ