বরিশালে গৃহবধূকে ধর্ষণের ব্যর্থ হয়ে মারধরের অভিযোগ

নগরীতে দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণে ব্যার্থ হয়ে মারধরসহ শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। সাথী আক্তার (৩০) নামের ওই গৃহবধূকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) তে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর কাউনিয়া পিছনস্কুল এলাকার সরদার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
যদিও পুলিশ বলছে ধর্ষণ চেষ্টা বা শ্লীলতাহানীর কোন ঘটনা নয়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা ওই নারীকে মারধর করেছে। তিনি হাসপাতালে এসেছিল। তাকে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভিকটিম সাথী বলেন, ‘আমার স্বামী দীর্ঘদিন যাবাত অসুস্থ। তিনি স্ট্রোক করে বাড়িতে শয্যাশায়ী। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী মান্নান সরদার ও মাসুদ আমাকে নানাভাবে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এ নিয়ে ইতিপূর্বে কাউনিয়া থানা এবং মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগও দিয়েছি।
তিনি বলেন, ‘ঘটনার দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালে আমার ছেলে প্রাইভেট পড়তে যায়। বাড়িতে আমি, আমার অসুস্থ স্বামী এবং শিশু সন্তান ছিল। সেই মুহুর্তে মান্নান সরদার ও মামুস ঘরে ঢুকে পুনরায় কু-প্রস্তাব দেয়। এতে অস্বীকৃতি জানালে মান্নান, মাসুদ এবং তাদের সহযোগী শাহীন সরদার ও শাকিল মিলে আমার ওপর হামলা এবং শ্লীলতাহানী করে। পরে স্থানীয়রা এসে আমাকে রক্ষা করে।
সাথী বলেন, ‘ঘটনার পর পরই আমি আহত অবস্থায় কাউনিয়া থানায় গিয়েছি অভিযোগ দিতে। কিন্তু পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে আমাকে আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে বলেছে। এ কারণে হাসপাতালে আসলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক আমাকে আইনী সহায়তার জন্য ওসিসিতে ভর্তি করে দেন।
কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এইচএম আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, ‘ওই নারী থানায় এসেছিল। তবে তাকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ সঠিক নয়। মূলতঃ দুই পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের জের ধরে ওই নারীকে মারধর করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কেআর