ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ওমান উপকূলে ছড়িয়ে পড়েছে তেল, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা লোডশেডিংয়ের সমাধান নিয়ে মন্ত্রী বললেন, আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই ফখরুল রাষ্ট্রপতি প্রার্থী, রাতারাতি বদলে গেলো তিন মন্ত্রণালয়ের সমীকরণ সেরা ‘সড়ক যোদ্ধা সম্মাননা’ জুবায়ের ইসলাম চৌধুরী ২৪ ঘণ্টায় বরিশালে ২৮মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড আগৈলঝাড়ায় শাপলা বিক্রি করে দিনে আয় ৩ হাজার টাকা বরিশাল রেঞ্জের নতুন ডিআইজি জুলফিকার আলী হায়দার চীনের অর্থনৈতিক সংস্কারের রূপকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি আর নেই গৌরনদীতে ৭৩ দিনেই হাফেজ হলেন মুসাইব সাঁকো ভেঙে পড়লেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন এমপি
  • আগৈলঝাড়ায় মুরগি ও ডিমের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ক্রেতারা

    আগৈলঝাড়ায় মুরগি ও ডিমের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ক্রেতারা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারে অস্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগি। বাজারে দেশি ও ব্রয়লারের মুরগির সরবরাহ কম থাকার অজুহাতে মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। 

     সস্তায় প্রোটিন পেতে মুরগি ও ডিমের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু হঠাৎ করেই অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সব ধরনের মুরগি ও ডিমের দাম। গত কয়েক দিনে প্রতি কেজিতে ব্রয়লার মুরগিসহ সব ধরনের মুরগির দাম ২০-৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এদিকে ব্রয়লার মুরগির ডিমের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা করে। 
    উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে দেশে ডিমের উৎপাদন ৩ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ডিম ও মুরগির দাম অস্বাভাবিক বাড়লেও এর সুফল পাচ্ছেন না তৃণমূল পর্যায়ের খামারিরা। মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগীরা।

    উপজেলার কয়েকটি বাজারে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি করছেন ১৬০ থেকে ১৭৫ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। এ হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। 

    ব্রয়লার মুরগির মতো কক, লেয়ার বা সোনালি মুরগির দামও দফায় দফায় বেড়েছে। ২১০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম কয়েক দফা বেড়ে এখন ২৯০ থেকে ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে এই মুরগির কেজি বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালি ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা।

    মুরগি খামারি শাওন শরীফ জানান, আমরা পোল্ট্রি খামার করে বছরের পর বছর লোকসান গুনছি। অথচ দাম যখন বাড়ছে, তখন এর সুফল ঘরে তুলতে পারছি না। পাঁচ বছরে খামার বন্ধ হয়েছে অর্ধলক্ষাধিক। এদিকে দিন দিন মুরগি ও ডিমের দাম বাড়ায় বিপাকে নিন্ম ও মধ্যবিত্তরা।

    গৈলা বাজারের ব্যবসায়ী খালেক বেপারী জানান, মুরগির বাচ্চা ও খাদ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়ার কারণে খামারে সব ধরনের মুরগির উৎপাদন কম হচ্ছে। করোনাকালীন এমনিতেই অনেক খামার বন্ধ হয়ে গেছে। এরপরও যেসব খামারি পুনরায় কাজ শুরু করতে চাইছেন তাদের জন্য মুরগির খাদ্যের দাম বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি বছর কয়েক দফায় খাদ্যের দাম বাড়ায় অনেকে খামারে মুরগি উৎপাদন করছেন না। এতে খুচরা ও পাইকারি বাজারে দেখা দিয়েছে মুরগির সংকট।

    বাশাইল বাজারের ব্যবসায়ী জামাল মোল্লা জানান, দুদিন যাবৎ চাহিদা অনুযায়ী ও সময়মতো মুরগি পাচ্ছি না। এক পর্যায়ে মুরগির মজুদ শেষ হওয়ায় ক্রেতা এসে ফিরে যাচ্ছে। 

    একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন মোল্লা জানান, মুরগির আমদামী কম এবং খাবারের মূল্যে বৃদ্ধির ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার নেই। আমরা সারা বছর ব্যবসা করি। এখন বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলেই বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।

    মুরগি কিনতে আসা রুনু বেগম জানান, ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট ও সরবরাহ কম অজুহাতে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে।
     


    এএজে
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ