ঢাকা শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • শিক্ষামন্ত্রীকে না সরালে পরের দাবি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বরিশাল নগরীর বিসিক শিল্প এলাকা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বানারীপাড়ায় নবীকে কটূক্তির অভিযোগে যুবককে জুতার মালা গৌরনদীতে সকালে ঢালাই বিকেলে ভেঙে পড়েছে  অর্ধকোটি টাকার গার্ডার ব্রিজ দু-এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিইসি ও স্পিকারকে জামায়াতের চিঠি গৌরনদীতে শিক্ষার্থীর টিফিনের রুটিতে মিলল ব্লেড ব্রাজিলভক্ত ১৭ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন আর্জেন্টিনাভক্ত শিক্ষক এবার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত বিএম কলেজে ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শিক্ষকের, তদন্ত কমিটি গঠন
  • আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে হোটেল কক্ষে ধর্ষণ

    আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে হোটেল কক্ষে ধর্ষণ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনার আমতলীতে বিয়েতে রাজি না হলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে হোটেল কক্ষে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় দুই যুবক। এমন অভিযোগে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে অপহৃত  ভিকটিম ছাত্রীর বাবা।  সোমবার সকালে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ মো. হাফিজুর রহমান আমতলী থানার ওসিকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহন করার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার আসামীরা হল আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী গ্রামের আবদুল মন্নানের ছেলে রাসেল ও রাসেলের বন্ধু রাকিব। 

    জানা গেছে, বাদীর মেয়ে ভিকটিম (১৩) আমতলীর স্থানীয় একটি বালিকা বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশুনা করে। অভিযুক্ত রাসেল পথেঘাটে ও স্কুলে আসা যাওয়ার সময় বাদীর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। বাদী প্রতিবাদ করলে রাসেল ও তার বন্ধু রাকিব বাদীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।  

    ঘটনার দিন (৬ এপ্রিল) সকালে বাদীর মেয়ে স্কুলে যাবার পথে বাড়ীর সামনে রাস্তার গেলে পূর্বে থেকে সেখানে ওৎ পেতে থাকা রাসেল ও তার বন্ধু রাকিব বাদীর মেয়েকে খুন জখমের ভয় দেখিয়ে মোটর সাইকেলে উঠিয়ে কুয়াকাটা পর্যটন এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে রাসেল জোর পূর্বক ভিকটিম স্কুল ছাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। আর সহযোগী বন্ধু রাকিব বাহিরে বসে পাহারা দিতে থাকে। ধর্ষণ শেষে ভিকটিমকে ওই হোটেলে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়। 

    পরে ভিকটিম স্থাণীয়দের সহায়তায় পরিবারকে খবর দেয়। তারা গিয়ে ঘটনাস্থলে ভিকটিমকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। মামলার বাদী জানান, আমার মেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আমাকে খবর দেয়। আমি আত্মীয়-স্বজন নিয়ে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে আসি। এরপর মেয়েকে সুস্থ্য করে ১২ এপ্রিল আমতলী থানায় মামলা করিতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আমার মামলা না নিয়ে ঘুরাইতে থাকে। পরে আমি বাধ্যহয়ে আদালতে মামলা করেছি।  

    আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএ মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে  থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি। মামলা করতে আসলে অবশ্যই মামলা নেওয়া হতো। তিনি আরো বলেন, আদালতের আদেশ এখনো হাতে পাইনি।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ