ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের প্রভাবে ঢাক-ঢোল কারিগরদের ব্যবসায় ভাটা কুয়াকাটায় মাদক সেবনের অপরাধে দুই চালকে কারাদণ্ড দেশ প্রেমের জায়গা থেকে আবহমান সংস্কৃতি ধরে রাখব: বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি বোরহানউদ্দিনে ‘দরকষাকষি করে ঘুষ নেন’ ভূমি কর্মকর্তা বাকেরগঞ্জে ‘জিনের বাদশা’ পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩ হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে কর্মশালা বরিশালে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদ্‌যাপন ঝালকাঠিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নারী হাজতির মৃত্যু উজিরপুরে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে আটক জেলেকে কারাদণ্ড
  • দুর্গাপুরে তীব্র পানির সংকট

    দুর্গাপুরে তীব্র পানির সংকট
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    অসহনীয় গরমে তীব্র পানি সংকটে নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুর। পাহাড়ি নদী সোমেশ্বরীর বুকে হাজারো ড্রেজারে বালু উত্তোলনে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে বলে দাবি পরিবেশবিদদের। তারা মনে করেন, আগামী কয়েক বছরে দুর্গাপুরে শুধু পানির জন্য হাহাকারই নয়, ধ্বংস হবে পুরো উপজেলাটি। টানা গত ১২ বছর ধরে যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনে মিলছে না এখন এক ফোটা পানিও।

    পরিবেশবিদ মো. অহিদুর রহমান বলেন, ২২ মার্চ পানি দিবস পালন করলেও আইন মানা হয় না। যেমন সোমেশ্বরী নদী থেকে বালু উত্তোলনে নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। এটিসহ কংস নদীকেও মেরে ফেলা হচ্ছে। এতে এলাকায় পানির সংকটসহ ভূমিকম্পের ভয়াবহ রকমের আশঙ্কা রয়েছে। নষ্ট হচ্ছে এই অঞ্চলের ইকোসিস্টেম। যে কারণে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ পোহাতে হবে এই এলাকার মানুষকে।

    জানা গেছে, উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে টিউবওয়েল থাকলেও সারাদিন চাপ দিয়েও মিলছে না এক ফোটা পানি। তাই অনেকে বাধ্য হয়েই পুকুরে ময়লা পানি ফুটিয়ে পান করছেন। অনেকেই আবার কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে কাঁধে কিংবা মাথায় করে নিয়ে আসছে বিশুদ্ধ পানি। বিশুদ্ধ পানির জন্য কষ্ট করে আসছেন উপেজলার বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজারো বাসিন্দা।
    ফেচিয়া গ্রামের সুভাসিনি হাজং বলেন, পানির সংকট এখন গ্রামের পর গ্রামজুড়ে। আমরা অনেক সময় বালুর নিচ থেকেও পানি তুলতে পারতাম। এখন সেটিও নেই। ময়লা পুকুর থেকেই খেতে হচ্ছে বাধ্য হয়ে।

    উপজেলার চন্ডিগড় ইউপির সাতাশি, ফেচিয়া, মধুয়াকোনা, মউ, সদর ইউপি, কুল্লাগড়া, বাকলজোড়া, কাকৈরগড়া, গাওকান্দিয়া, বিরিশিরি ইউপিসহ সর্বত্রই দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির এই সংকট। পৌর শহরের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে মাটির ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ ফুট নিচ থেকেও মিলছে না পানি।

    এদিকে, ময়লা পানি পান করার ফলে গ্রামজুড়ে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, জন্ডিসসহ বিভিন্ন প্রকার পানিবাহিত রোগের শঙ্কা বেড়েছে। তাই অনেকেই বাধ্য হয়েই ঋণ কিংবা জমি বিক্রয় করে ব্যক্তিগতভাবে বাড়িতেই গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। মধ্যবিত্তরা নলকূপ বসিয়ে পানি পানের ব্যবস্থা করলেও বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও হতদরিদ্র মানুষগুলো। 

    এ ব্যাপারে কথা বলতে নেত্রকোনা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীবের মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ হয়নি। এতে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ