শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ

সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে আজ মঙ্গলবার সারা দেশের সাথে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় উচ্চ মাধ্যমিক ৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ ৩৯দিন পর খুলে দেওয়ায় উৎসাহ ফিরে এসেছে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে।
ইতোমধ্যে বিদ্যালয় গুলোর কর্মচারীরা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস রুম, বেঞ্চ, বারান্দাসহ ভবন পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ সোমবার শেষ করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেনী কক্ষে পাঠদান শুরুর আগে স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পাঠদানের উপযোগী করতে ধোঁয়া মোছার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সরকারী গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করছে। তাদের পরনে সেই চিরচেনা স্কুল ড্রেস, কাঁধে বইয়ের ব্যাগ। তবে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুখে মাস্ক পরিধান করে স্কুলে এসেছে তারা।
তবে দীর্ঘদিন পর স্কুল খুললেও সহপাঠীদের সঙ্গে আগের সেই হইহুল্লোড় নেই। শিক্ষকদের নির্দেশনা মেনে ছাত্র-ছাত্রীরা দূরত্ব বজায় রেখে তারা স্কুলে প্রবেশ করছে।
প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখেই ছিল স্বাস্থ্যবিধির কড়াকড়ি। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার নিশ্চিত করে ও বডি থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মাপার পরই প্রবেশ করতে দেয়া হয় শিক্ষার্থীদের। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ভেতরে বেসিন, সাবান ও পানির ব্যবস্থা করা হয়।
উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরেজমিন পরিদর্শন করে আরও দেখা গেছে, প্রতিজন শিক্ষার্থীর সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য সব রকমের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নির্দেশনা মেনে প্রায় ৩৯দিন বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম শুরুর ক্ষেত্রে অনেকটাই চ্যালেঞ্জের মুখে পরতে হবে বলে জানান শিক্ষকরা।
সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সরকারী নির্দেশনা শতভাগ বাস্তবায়ন করার জন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুল খোলার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল কয়েকদিন আগে থেকেই। প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদেও পাঠদানের জন্য বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ক্লাস ও কম্পাউন্ডে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা, জীবানুনাশক স্প্রেসহ সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
এমইউআর