বরিশালে আলু-পেঁয়াজ-মুরগির দাম বেড়েছে

বরিশালে বেড়েছে তেল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ ও সব ধরনের মুরগির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম বেড়েছে তিন থেকে ১০ টাকা। মাছের বাজারও চড়া। ফলে নাভিশ্বাস উঠেছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের।
শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর পুরান ও বাংলা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বরবটি, করলা, পেঁপে ও শসা দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে পাঁচ থেকে ২০ টাকা। বরবটি ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০, ফুলকপি ৩৫ থেকে বেড়ে ৪০, করলা ১০০ থেকে বেড়ে ১২০, পেঁপে ২০ থেকে বেড়ে ২৫ ও শসা ৪০ থেকে বেড়ে ৫০ টাকা হয়েছে।
খুচরা বাজারে আলুর কেজি ১৫ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩ টাকা। এক লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ১৫০। এক লিটার বোতলজাত তেল বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়, যা গত সপ্তাহেও ছিল ১৬০ টাকা। এছাড়া খুচরা দোকানে মোটা দানার মসুর ডাল ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এটি বিক্রি হয়েছে ৮৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের কেজি ৩০ থেকে বেড়ে ৪০, ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ থেকে বেড়ে ৪৫ হয়েছে।
বেড়েছে সব ধরনের মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগি ১৪০ থেকে বেড়ে ১৫০ এবং কক ২৪০ থেকে বেড়ে ২৫০ এবং সোনালি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৩৫ টাকায়।
সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় বাজারে মাছের দাম বেড়েছে। সব ধরনের মাছ কেজিতে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ও কিছুটা বড় আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৪৫০ টাকায়। ৯০০ গ্রাম বা এর চেয়ে কম ওজনের ইলিশের কেজি ১১০০ থেকে ১২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া আকারভেদে চাষের শিং ৫০০-৫৫০, রুই ৩৫০-৪০০, চাষের পাঙ্গাশ ১৮০-২০০, কাতল ৪০০-৬০০, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০, আকারভেদে আইড় ৮৫০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাংলা বাজারে কেনাকাটা করতে আসা জামাল হোসেন বলেন, নিত্যপণের দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। উপার্জনের প্রায় সব টাকা বাজার করতেই চলে যাচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষের টিকে থাকাই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।
নগরীর পুরান বাজারের খুচরা মুদি দোকানি নিউ আজাদ স্টোরের মালিক সৈয়দ আজাদ আহম্মেদ বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে তেল, ডাল, আলু ও পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে অন্য পণ্যের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। শুনেছি সয়াবিন তেলের দাম আরেক দফা বাড়তে পারে।
এইচকেআর