ঢাকা শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • শিক্ষামন্ত্রীকে না সরালে পরের দাবি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ বরিশাল নগরীর বিসিক শিল্প এলাকা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বানারীপাড়ায় নবীকে কটূক্তির অভিযোগে যুবককে জুতার মালা গৌরনদীতে সকালে ঢালাই বিকেলে ভেঙে পড়েছে  অর্ধকোটি টাকার গার্ডার ব্রিজ দু-এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিইসি ও স্পিকারকে জামায়াতের চিঠি গৌরনদীতে শিক্ষার্থীর টিফিনের রুটিতে মিলল ব্লেড ব্রাজিলভক্ত ১৭ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন আর্জেন্টিনাভক্ত শিক্ষক এবার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত বিএম কলেজে ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শিক্ষকের, তদন্ত কমিটি গঠন
  • মা-বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, ৩০ মিনিট পর ছেলের মৃত্যু

    মা-বাবাকে নিয়ে স্ট্যাটাস, ৩০ মিনিট পর ছেলের মৃত্যু
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন


    বাবা-মাকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দেওয়ার ত্রিশ মিনিট পর মুজাহিদুল আলম সজিব নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে অফিসে কর্মরত অবস্থায় মারা যান তিনি।

    মুজাহিদুল আলম সজিব (৩৫) বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের আবদুর রশীদ মিয়ার ছেলে। তিনি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় এজিএম পদে কর্মরত ছিলেন। 

    স্বজনরা জানায়, সজিব গাজীপুরে ইসলাম গ্রুপের একটি পোশাক কারখানায় এজিএম পদে কর্মরত ছিল। প্রতিদিনের মতো সোমবারও তিনি অফিসে কাজ করছিলেন। কাজের ফাঁকে দুপুর আড়াইটা নাগাদ ফেসবুকে বাবা-মাকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন। এর আধা ঘণ্টা পর তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। সহকর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে কোনাবাড়ী হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

    সজিবের সহকর্মী ফয়সাল আহমেদ বলেন, সজিব তার ডেক্সে কাজ করছিলেন। বিকেল ৩টার দিকে তিনি ওয়াশরুমে যান। ওয়াশরুম থেকে হাতমুখ ধুয়ে এসে আবার ডেস্কে বসলে তিনি চেয়ার থেকে পড়ে যান। পরে তাকে ধরাধরি করে অফিসের মধ্যেই শোয়ানো হয়। সজিবের অবস্থার অবনতি হলে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর আধা ঘণ্টা আগে সজিব বাবা-মাকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।

    মুজাহিদুল আলম সজিবের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- দ্বিমত থাকতেই পারে। কিন্তু আমি জানি এবং বিশ্বাস করি, আয় যত কষ্টেরই হোক না কেন, নিজের বাবা-মায়ের মুখে খাবার তুলে দেওয়া, বাবা-মায়ের দেখাশোনা করার দায়িত্ব শুধু সৌভাগ্যবানরাই নিতে পারে। নিজের বাবা-মাকে সম্মান করুন, শ্রদ্ধা করুন, ভালোবাসুন। বাবা-মা যে কী জিনিস তা যাদের বাবা-মা নেই তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করুন, তাদের থেকে ভালো উত্তর আর কেউই দিতে পারবে না।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ