ঢাকা সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম

অর্ধডজন মামলার আসামি এবায়দুলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ চাঁদপাশাবাসী

অর্ধডজন মামলার আসামি এবায়দুলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ চাঁদপাশাবাসী
এবায়দুল হক
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নে মাদকের বিষ ছড়াচ্ছে বিএনপি’র কথিত নেতা এবায়দুল হক। এলাকার বিপদগামী যুবকদের নিয়ে মাদকের বিশাল সিন্ডিকেট সাজিয়েছেন তিনি। যাদের নিয়ে এলাকার নিরিহ মানুষের ওপর হামলা, নির্যাতন এবং মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছেন।

নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলার আসামি এবায়দুলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গোটা এলাকাবাসী। তাই যুবসমাজ ধ্বংসকারী এই সন্ত্রাসী এবং মাদক কারবারির লাগাম টেনে দিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন এলাকাবাসী। অন্যথায় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।

জানা গেছে, ‘বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের পশ্চিম বকশির চরের বাসিন্দা সেকান্দার ডাক্তারের ছেলে এবায়দুল হক। নারী নির্যাতন, মাদক বানিজ্যের সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, নির্যাতন এবং প্রতারনাসহ এমন ঘটনা নেই যা নিয়ে অভিযোগ নেই তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ২০০৬ সালে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে চাঁদপাশার বকশিরচর এলাকার শাহানাজ পারভীনের স্বামীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয়। সেই টাকা ফেরত চাওয়ায় শাহানাজ পারভীনের শ্লিলতাহানী করে। আর এই ঘটনা খোদ ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকিরের সামনেই ঘটে। এ নিয়ে প্রতারক এবায়দুল হকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন ওই নারী।

এছাড়াও বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাবস্থায় সাবেক চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকিরের অন্যতম সহোচর এবায়দুলের বিরুদ্ধে থানায় তিনটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের হয়। যে মামলাগুলো এখনো বিচারাধিন রয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, ‘সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনের পূর্বে একই এলাকার ঢালী বাড়ির কালাম ঢালীর ছোট ছেলে মাহফুজ ঢালীকে ধরে এনে গাছে বেধে নির্যাতন করে সন্ত্রাসী এবায়দুল হক। ওই সময় তাকে গাছে বেধে শরীরে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন তিনি। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণে বেঁচে যায় মাহফুজ ঢালী। এই ঘটনায় থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলাও হয়েছে।

এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অন্তত সাতটি মামলা বিচারাধিন রয়েছে। এবার বাইরে তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা এবং অভিযোগ রয়েছে এবায়দুল হকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে চাঁদপাশার সাবেক চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকিরের ছাত্রছায়ায় থেকে একের পর এক অপকর্ম ঘটিয়ে চলছে এবায়দুল। অথচ দুর্ধর্ষ এই সন্ত্রাসীর লাগাম টেনে দিচ্ছেন প্রশাসন। প্রশাসনের রহস্যজনক নিরবতার সুযোগে এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

আলাপকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদার বলেন, ‘একজন মানুষের বিরুদ্ধে মামলা থাকতেই পারে। মামলার বিষয়টি আইনিভাবে সমাধান হবে। তবে মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স। মাদক সংশ্লিষ্টতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তাকে কোনভাবেই ছাড় দেয়া হবে না বলে জানান তিনি।


কেআর
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ